মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ০১ জানুয়ারী, ২০১৮, ১১:২৬:৩৫

কর্মসংস্থান: মানুষের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হবে রোবট

কর্মসংস্থান: মানুষের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হবে রোবট

ঢাকা: আগামীদিনে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে মানুষের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী মানুষ হবে না। বরং মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হবে রোবট।  প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০৩০ সাল নাগাদ রোবটের হাতে চলে যাবে বিশ্বের ৮০ কোটি কর্মসংস্থান। অর্থাৎ রোবটের কারণে বিশ্বের শত কোটি লোক বেকার হয়ে যাবে। সঠিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগুতে না পারলে বিশ্বের খেটে খাওয়া মানুষকে চরম হতাশ বানিয়ে ছাড়বে রোবট।
 
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ম্যাককিনজি গ্লোবাল ইনস্টিটিউট এক গবেষণায় এমন তথ্য দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গবেষণার এমন তথ্য ভয়াবহই বলা চলে।
 
গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের ৮০ কোটি কর্মসংস্থান চলে যাবে রোবটের হাতে। এরই মধ্যে সোফিয়া নামের এক রোবট আলোড়ন তুলেছে পুরো বিশ্বে। প্রতিবেদনে বলা হয়, রোবটের কারণে ২০৩০ সাল নাগাদ ৪৬ টি দেশের ৮০ কোটি মানুষ চাকরি হারাবে। এতে পুরো বিশ্বের পাঁচ ভাগের এক ভাগ চাকরিজীবী মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
 
কনসালটেন্সি ফার্ম ম্যাকিনসি গ্লোবাল ইন্সটিটিউটের বরাতে সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও ডেইলি মেইলি রোবটের হাতে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত তথ্য জানিয়েছে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে । রিপোর্টে বলা হয়, রোবটের আধিপত্যের কারণে রেস্টুরেন্টের কর্মী ও মেশিন অপারেটররা ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তুলনামূলকভাবে নিরাপদে থাকবেন মালি, পানির মিস্ত্রি ও শিশু দিবা যত্মকেন্দ্রের কর্মীরা। ভারতে চাকরি হারাবে ৯ শতাংশ মানুষ।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যস্থতাকারী দালাল, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিভাগের কর্মী ও হিসাবরক্ষকদের চাকরি সহজেই রোবটদের হাতে রোবটদের দখলে চলে যাবে। অন্যদিকে, নিরাপদে থাকবে ডাক্তার, আইনজীবী ও শিক্ষকদের চাকরি। কারণ এতোটা ক্ষমতাশালী এখনো রোবটের হাতে দেওয়া হয়নি।
 
আগামী ১৩ বছরের মধ্যে কোন কোন ক্ষেত্রে পরিবর্তন ঘটবে সে সম্পর্কে আভাসও দিয়েছে গবেষণা ফার্মটি। তারা জবস লস্ট, জবস গেইনড (চাকরি হারানো, চাকরি অর্জন) নামে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছেন। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, অটোমেশনের কারণে জার্মানির মতো ধনী দেশগুলোতে প্রায় এক তৃতীয়াংশ কর্মী চাকরি হারাবে।
 
অন্যদিকে, উন্নয়নশীল দেশগুলো রোবট তৈরিতে বেশি পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করতে পারবে না। তাই এসব দেশে চাকরির বাজার কম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই রোবটের হাতে যাবে না চাকরির বাজার।
 
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অবস্থা চলতে থাকলে মানুষও হয়ে পড়বে অলস। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মানুষের কাজের বিকল্প বের করবেন গবেষকরা।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমানে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নাগালের বাইরে চলে গেছে। আপনি কি একমত?