রবিবার, ১৬ আগস্ট ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ০১ জুলাই, ২০১৯, ০৯:৩০:০৩

বিমানগতিতে ছুটবে চীনের ট্রেন

বিমানগতিতে ছুটবে চীনের ট্রেন

ঢাকা: ঘণ্টায় ৬০০-৮০০ কিমি. গতি এতদিন শুধু বিমানেই সীমাবদ্ধ ছিল। বিমানের সেই গতিই এবার ট্রেনে জুড়ে দিল চীন। অর্থাৎ একেবারে বিমানগতিতেই ট্রেন ছোটাবে চীন।
ম্যাগনেটিক লেভিটেশন ম্যাগলেভ ট্রেনের জন্য বিশ্বে পরিচিত চীন। সুপারফাস্ট বুলেটকেও গতিতে, রূপে, চাকচিক্যে হার মানায় এ ট্রেন। ঠিক যেন হাওয়ার মতো গতি।

পলক ফেলতেই পৌঁছবে গন্তব্যে। এই ম্যাগলেভ ট্রেনকেই আরও ঘষেমেজে উন্নততর করে তুলল চীন। ৬০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে এখন এ ট্রেন ছুটবে দেশটির সাংহাই পুডোং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লংইয়াং রোড স্টেশন পর্যন্ত।

সে হিসাবে ৩০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবে ৭ মিনিট ২০ সেকেন্ডে। লেট করলেও সেটা হবে ৫০ সেকেন্ডের মতো। তার বেশি একেবারেই নয়। সিএনএন।

বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম ম্যাগলেভ ট্রেনের তকমা আগেই পেয়েছে চীন। বিশেষত গতির জন্য বিখ্যাত সাংহাই ম্যাগলেভ। নীল রঙা সুচালো মুখে ছাই রঙা শরীর নিয়ে, সেই ২০০৩ সাল থেকে ছুটে চলেছে ম্যাগলেভ। পুড়োং থেকে সাংহাই সিটি সেন্টার অবধি ৩০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয় ম্যাগলেভ। বর্তমানে এই ম্যাগলেভেরই গতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে চীন। সাধারণত ৪৩১ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে ছুটবে এ ট্রেন। সর্বোচ্চ গতি হবে ৬০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। ব্রিটেনের বিরমিংঘাম ম্যাগলেভ ও জার্মানির এম-বাহনের মতোই চীনের ম্যাগলেভ। যাত্রা শুরুর পরে রাজনৈতিক, প্রযুক্তিগত নানা কারণে ২০০৪-০৬ সাল পর্যন্ত কয়েক কোটি টাকা ক্ষতিতে চলেছিল ম্যাগলেভ। সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠে ম্যাগলেভকে আরও ঝাঁ চকচকে করে তুলেছে সাংহাই ম্যাগলেভ ট্রান্সপোর্টেশন ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড।

বর্তমানে বেইজিং-সাংহাই রেললাইনে বুলেট ট্রেনের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার। ১৩০০ কিলোমিটার পথ এই ট্রেন পাড়ি দেয় চার ঘণ্টার কিছু বেশি সময়ে। তাছাড়া, চীনের হেনান প্রদেশের ঝেংঝৌ থেকে পূর্ব চীনের জিয়াংশু প্রদেশের শুঝৌ পর্যন্ত ঘণ্টায় ৩৮০ কিলোমিটার বেগে চলে হাইস্পিড ট্রেন। দেশের দীর্ঘ ১৬ হাজার কিলোমিটার রেলপথ হাইস্পিড ট্রেন দিয়ে জুড়ে ফেলে গোটা বিশ্বকে ইতিমধ্যে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বেইজিং।

সিআরআরসি কুইংডাও-এর চিফ ইঞ্জিনিয়ার ডিং সানসানের কথায়, বেইজিং থেকে সাংহাই বিমানপথে লাগে সাড়ে চার ঘণ্টা, হাইস্পিড ট্রেনে পাঁচ ঘণ্টার আশপাশে আর ম্যাগলেভে মাত্র তিন ঘণ্টা। দ্রুতগতির ম্যাগলেভ টেকনোলজি নিয়ে শুধু চীন নয়, নজির গড়েছে জাপানও। বস্তুত, জাপানই এই প্রযুক্তির অন্যতম পথপ্রদর্শক। ২০১৫ সালে ৬০৩ কিমি./ঘণ্টা বেগে এসসি ম্যাগলেভ ছুটিয়ে বিশ্বে রেকর্ড করেছিল জাপান। টোকিও থেকে নাগোয়া পর্যন্ত ফের ম্যাগলেভ লাইন তৈরি করছে তারা। এই ম্যাগলেভও হবে রূপে-গুণে অনন্য। তবে সেটি চালু হবে ২০২৭ সালে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?