রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১০:৫৯:১৫

সাধ্বীদের ধর্ষণ করতে রাম রহিমের বিলাসবহুল ডিজনিল্যান্ড! (ভিডিও)

সাধ্বীদের ধর্ষণ করতে রাম রহিমের বিলাসবহুল ডিজনিল্যান্ড! (ভিডিও)

ঢাকা : দুটি ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ২০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ডেরা সচ্চা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিংকে। যা নিয়ে গোটা ভারত জুড়ে চলছে তুমুল আলোচনা। 'বাবা'র জেলে যাওয়ার পর তার ডেরায় হাজির হয় সে দেশের সংবাদমাধ্যমগুলো। রাম রহিমের ডেরার বিলাসবহুল রিসোর্টগুলোর একটি ভিডিওচিত্র প্রকাশ পেয়েছে। ইতোমধ্যে ওই ভিডিওচিত্র ভাইরাল হয়ে গেছে।

গরিব ভক্তরা নিজেদের সাধ্য অনুযায়ী 'বাবা'র ডেরায় ভক্তি ভরে আর্থিক অনুদান দিতেন। আরে সেই অর্থেই নিজের ভোগবিলাসের জন্য ডিজনিল্যান্ড বানিয়েছিল ধর্ষক বাবা। ডেরার সদর দফতরের ভিতরেই বিশাল জায়গা জুড়ে নিজের সাধের ডিজনিল্যান্ড বানিয়েছিল রাম রহিম। ভোগ বিলাসের যাবতীয় ব্যবস্থাই সেখানে নিজের জন্য করে নিয়েছিল সে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, বাবার এই ডিজনিল্যান্ডে মোট ষোলটি রিসোর্ট রয়েছে। যার কোনোটি তাজ মহলের অনুকরণে গড়া, কোনোটি আবার আইফেল টাওয়ারের আদলে। বিশ্বের সাতটি আশ্চর্যের অনুকরণেই সেখানে কোনো না কোনো ভিলা তৈরি করা হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে সুইমিং পুলসহ আমোদ-প্রমোদের যাবতীয় ব্যবস্থা।

সেখানে বাবা ঘনিষ্ঠ হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া কারও প্রবেশাধিকার থাকত না। নারীদের সঙ্গে যৌনাচার, ধর্মকর্মের আড়ালে অন্যান্য সমস্ত কুকীর্তির একটা বড় অংশই এই সাজানো গোছানো ডিজনিল্যান্ডে করতেন ধর্ষক বাবা। বিতর্কিত এই ধর্মগুরু তার হরিয়ানায় সিরসার ডেরায় মধ্যযুগীয় রাজাদের মতো জীবন যাপন করতেন। তার কক্ষ সব সময় নারীদের (সাধ্বী) দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকত।

ডেরার ভেতরের এই ডিজনিল্যান্ডে রাম রহিমের পালক মেয়ে হানিপ্রীত ইনসানের প্রবেশাধিকার ছিল। এ ছাড়া অল্প কয়েকজন বিশ্বস্ত সহযোগী ছাড়া সেখানে আর কারও প্রবেশাধিকার থাকত না। সাজানো বিলাসবহুল এই ডিজনিল্যান্ডেই তিনি সাধ্বীদের ধর্ষণ করতেন।

টাইমস নাউয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাম রহিমের ডেরার ভেতরের এই ‘ডিজনিল্যান্ড’ সাত তারকা হোটেলের সমমান। ব্যক্তিগত এই ডিজনিল্যান্ডে মোট ৬৯টি কক্ষ রয়েছে। রোজ রাতে রাম রহিম প্রধান সাধ্বীকে ফোন করে একজন অল্প বয়সী মেয়েকে ব্যক্তিগত ডিজনিল্যান্ডে তাঁর কক্ষে পাঠানোর জন্য বলতেন। আর সেখানেই তিনি ওই সাধ্বীকে ধর্ষণসহ যৌন নির্যাতন করতেন, যা ডেরায় ‘বাবার মাফি’ নামে পরিচিত।

প্রাসাদ চত্ত্বরের মধ্যেই একটি ফিল্ম সিটি তৈরির পরিকল্পনাও ছিল ডেরা প্রধানের। কিন্তু বাবাজি জেলে যাওয়ায় সেই প্রকল্প অর্ধসমাপ্ত অবস্থাতেই পড়ে রয়েছে।

সূত্র: জি নিউজ, টাইমস নাউ



  0

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

কিছু সহিংসতা ও অনিয়ম হলেও সামগ্রিকভাবে ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে—সিইসির এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?