বুধবার, ২৭ মে ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০১ অক্টোবর, ২০১৯, ০৬:৩৭:৪২

মসলাগুলো ভিতর থেকে দেহকে সুস্থ রাখে

মসলাগুলো ভিতর থেকে দেহকে সুস্থ রাখে

স্বাস্থ্য ডেস্ক : প্রতিদিনের রান্নায় যে মশলাগুলি ব্যবহার করি, তা আমাদের শারীরিক সুস্থতা সুনিশ্চিত করার জন্যও যে কতটা প্রয়োজনীয়, তা জানেন কী? আদা, গোলমরিচ, তেজপাতা, মরিচ, জিরার প্রতিটিই কোনও না কোনওভাবে আপনাকে সুস্থ রাখে। তাই রোজের খাদ্যতালিকায় কোন কোন মশলা কীভাবে ব্যবহার করা উচিত তা জেনে নিন ভালো করে।

মরিচ: মরিচ আপনার রান্নায় অন্য একটা মাত্রা যোগ করে খাবারকে সুস্বাদু করে তোলে। তা ছাড়া কাঁচামরিচয় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। নিয়মিত কাঁচামরিচ খেলে বুকে সর্দি বসার হাত থেকে মুক্তি পাবেন, চট করে ঠান্ডা লাগবে না, বাড়বে ওজন কমার হার আর নিয়ন্ত্রণে থাকবে রক্তচাপ।

গোলমরিচ: গোলমরিচ হচ্ছে সব মশলার রাজা! গোলমরিচ হজমের পক্ষে খুব সহায়ক। সর্দিকাশি সারাতে বা মেটাবলিজ়ম বাড়াতেও এর জুড়ি নেই কোনও। তা ছাড়া যে কোনও রান্নায় এক চিমটে গোলমরিচের গুঁড়ো যোগ করে দেখুন, তা স্বাদ বেড়ে যাবে বহুগুণ! নিয়মিত গোলমরিচ খেলে সেরে যায় ত্বকের নানা সমস্যা।

জিরা: হজমের সমস্যায় ভুগছেন? সারা রাত এক গ্লাস পানিতে এক চিমটে গোটা জিরা ভিজিয়ে রেখে দিন। পরদিন সকালে খালি পেটে পানিটা ছেঁকে পান করুন। হজমের সমস্যার এর চেয়ে অব্যর্থ সমাধান খুঁজে পাওয়া মুশকিল। পেট খারাপের সমস্যায় যাঁরা নিয়মিত ভোগেন, তাঁদের জিরা দিয়ে রাঁধা পাতলা ঝোল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

লবঙ্গ: লবঙ্গ হচ্ছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল আর অ্যান্টি-সেপটিক গুণাবলীতে সমৃদ্ধ। সেই সঙ্গে এর মধ্যে পাবেন অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস আর একাধিক মিনারেলের গুণও। অ্যারোমাথেরাপিতে নানা ধরনের ব্যথা নিরাময়ের জন্য লবঙ্গের তেলের উপর আস্থা রাখা হয়। দাঁতে ব্যথা বা পেটে ব্যথার চিকিৎসাতেও ব্যবহার করা হয় লবঙ্গ তেল।

ধনে: ধনেপাতা উপকারি তো বটেই, গোটা ধনে রান্নায় ব্যবহার করুন নিয়মিত। তা আপনার হজমশক্তি ভালো রাখবে। লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ও পেট পরিষ্কার রাখতে দারুণ সাহায্য করে এর ডায়েটারি ফাইবার।

দারচিনি: আপনার কি পেট ফাঁপা বা ইনফ্লামেশনের সমস্যা আছে? তা হলে আপনার রোজের খাদ্যতালিকায় দারচিনি রেখে দেখুন। দই বা দুধের মধ্যে দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া যায়, আদা-দারচিনি ফুটিয়ে চায়ের মতো করেও খেতে পারেন।

মেথি: খিদে হয় না ঠিকমতো? খুব অ্যালার্জি বেরোয়? তা হলে মেথির পানি আপনাকে খুব সাহায্য করবে। হজমক্ষমতা বাড়াতেও মেথি খুব সাহায্য করে।

হলুদ: অ্যান্টিঅক্সিডান্ট, অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-কারসিনোজেনিক,অ্যান্টি-মিউটাজেনিক, অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি বলে হলুদের খুব সুনাম। ইদানীং বিদেশেও তার কদর বাড়ছে। যাঁরা অস্টিও ও রিউম্যাটয়েড আর্থারাইটিসে ভুগছেন, তাঁরা অবশ্যই রোজের খাদ্যতালিকায় হলুদ রাখুন। হলুদের কারকিউমিন ফ্রি র্যা ডিকালসের আক্রমণ ঠেকিয়ে রাখতে দারুণ কার্যকর বলে মনে করা হয়।

আদা: আদা গা বমিভাব কমায়, ঠান্ডা লাগার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে আপনাকে, বাড়ায় হজমশক্তিও। বহু সনাতন চাইনিজ় ওষুধের আবশ্যক উপাদান হচ্ছে আদার নির্যাস।

রসুন: রসুনের অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল প্রপার্টি নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা। এর অ্যান্টিঅক্সিডান্ট প্রপার্টি নিয়ন্ত্রণ করে ব্লাড প্রেশার ও সুগারের মাত্রা।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?