শনিবার, ২৩ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ০৮ নভেম্বর, ২০১৭, ১১:৪৮:১২

ময়ূর চিংড়ি!

ময়ূর চিংড়ি!

ঢাকা : ম্যান্টিস চিংড়ি বা পিকক ম্যান্টিস চিংড়ি নামে পরিচিত এই প্রাণিগুলো মাত্র ১০ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। কিন্তু এরা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী প্রাণী। এরা সাধারণত মুষ্ঠি দ্বারা আঘাতের মাধ্যমে এদের শত্রুর উপর আক্রমণ করে থাকে। এদের পেশির গঠন এমন জটিলভাবে তৈরি হয়েছে যে, যখন এরা শত্রুর উপর আক্রমণের জন্য বাহুকে প্রসারিত করে, তখন সেটি অনেকটা স্প্রিংয়ের মতো কাজ করে এবং যখন স্প্রিংটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়, তখন এটি শূন্য দশমিক ২২ ক্যালিবার বুলেটের চেয়েও দ্রুত ত্বরণে ঘন্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে শত্রুর দিকে ছুটে যায়। রঙের বিভিন্নতার জন্য এরা ময়ূর চিংড়ি নামেই পরিচিত।

 

এই প্রচন্ড বেগ শক্ত খোলস বিশিষ্ট যেকোনো শত্রুকে কাবু করতে যথেষ্ট। এই আঘাত এতো বেশি শক্তিশালী যে, এরা মাঝে মাঝেই অ্যাকুরিয়ামের কাঁচও ভেঙ্গে ফেলতে পারে। সেজন্য এদেরকে সাধারণত কাঁচের তৈরি অ্যাকুরিয়ামে না রেখে পুরু প্লাস্টিকের পাত্রে রাখা হয়। এছাড়াও আঘাতের আগেই এদের গতি এবং পানিতে যে বুদবুদের মতো সৃষ্টি করে, সেটা অনেকটা শক ওয়েভের মতো কাজ করে। সেই তরঙ্গের আঘাতে এদের শত্রু প্রথমে অবশ হয়ে যায় এবং এরপর তাদের উপর মূল আঘাতটি এসে পড়ে।

 

এতো জোরে আঘাত করা সত্ত্বেও নিজেদের শরীরের কোনো ক্ষতি না হওয়ার কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা এদের মুষ্ঠিতে এক ধরনের বিশেষ পদার্থের খোলসকে চিহ্নিত করেছেন। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা এই খোলসটি নিয়ে গবেষণা করছেন ক্ষুদ্র এবং পাতলা, কিন্তু শক্তিশালী আবরণ তৈরি করার জন্য, যা প্রচন্ড আঘাতেও ভেঙ্গে পড়বে না।



আজকের প্রশ্ন