মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১২:০৭:১৭

পুলিশ ইন্সপেক্টরের বাসায় চোড়াই বিদ্যুৎ, কতৃপক্ষের খবর নাই

পুলিশ ইন্সপেক্টরের বাসায় চোড়াই বিদ্যুৎ, কতৃপক্ষের খবর নাই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল নগরীর আনাচে কানাচের মাদকসেবীরা এক প্রবাদে বলেন,আকাম পুলিশ করলে লীলা,আমরা (সাধারনেরা) করলে ভিলা।প্রবাদটি মাদকসেবীদের মুখে শুনা গেলেও এর বাস্তবতা পাওয়া গেছে এক পুলিশ ইন্সপেক্টরের কর্মকান্ডের খবরে।ওই ইন্সপেক্টরের নাম শাহাবুদ্দিন ফকির।বর্তমানে তিনি ঝালকাঠি জেলা সদরে এম টি আই ২ তে কর্তব্যরত রয়েছে।তিনি ২০০৫ সালের দিকে বরিশাল নগরীর বগুড়া পুলিশ ফাড়িতে এটি এস আই (হাবিলদার) হিসেবে যোগদান করেন।যোগদানের পরপরই তিনি ফাড়ির পিছনে থাকা সরকারী কোয়ার্টারের তিনটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে পরিবারসহ বসবাস শুরু করে।নিজস্ব অর্থায়নে বিদ্যুৎ ব্যবহারের কথা থাকলেও শাহাবুদ্দিন কোন মিটার না এনে ফাড়ির সামনে থাকা ট্রান্সমিটারের গোড়া থেকে ততকালীন বিদ্যুৎ কতৃপক্ষকে ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় অবৈধ সংযোগ নেয়।চোড়াই সংযোগ নিয়ে তিনি শুরু থেকেই হিটার,ফ্রিজ,টিভি,তিন কক্ষে তিনটি ফ্যান ও ৬ টি ভাল্ব ব্যবহার করে।এটিএসআই থেকে টি এস আই হিসেবে পদোন্নতি পেলেও তার কর্তব্য স্থান পরিবর্তন না হওয়ায় তিনি বাসাও পরিবর্তন করেনি।নগরী চার্জার অটো গাড়ির চলাচল শুরু করলে তিনি দুইটা অটো কিনে ভাড়া দেয়া শুরু করেন।অটো দুটিতে চার্জ দেয়ার জন্য বাসায় নেয়া অবৈধ সংযোগের বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন।বছর দেড় আগে মিডিয়া কর্মীদের কাছে এধরনের অভিযোগ এলে তিনি মিটার লাগানোর ওয়াদা দিয়ে একটি সাব মিটার লাগালেও ওই মিটার কোন হিসাবভুক্ত করেনি।ওই মিটারে কোন বিলও পরিশোধ করেন নি।বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানোর নামে অটো দুটি বিক্রি করে দেয়।অবৈধ সংযোগে বিদ্যুৎ কতৃপক্ষের কোন বাধা বিপত্তি না আসায় দীর্ঘ ১২ বছর যাবত তিনি চোড়াই বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন।পদোন্নতি পেয়ে দুই মাস পূর্বে তিনি ইন্সপেক্টর হলে তাকে ঝালকাঠি জেলায় বদলী করা হলেও তিনি বাসা বদলায়নি।উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ বাসা ত্যাগ করার নির্দেশ দিলেও বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বাসা ছাড়ছেনা বলে সূত্র নিশ্চিত করেন।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে টাউন ইন্সপেক্টর শাহাবুদ্দিন ফকির বলেন বাসা ছেড়ে দিয়েছি।পুলিশ ফাড়ি থেকে সংযোগ নিয়ে বাসায় বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয় এবং বিল পরিশোধ করা হয়।বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগের ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলী অমূল্য কুমার সরকার বলেন,বিষয়টি জানা নেই।খতিয়ে দেখা হবে। অবৈধ সংযোগের প্রমান মিললে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।



আজকের প্রশ্ন