বুধবার, ২২ নভেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭, ১০:৪৯:২০

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চি’র সঙ্গে আলোচনা করবে ইইউ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চি’র সঙ্গে আলোচনা করবে ইইউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রবিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফেডেরিকা মোঘেরিনি জানান, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে সু চি’র সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি।

 

সোমবার ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে মোঘেরিনি সহ কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মুখ থেকে নির্যাতন ও ভয়াবহতার বর্ণনা শোনেন তারা।

 

মিয়ানমারের রাখাইনে গত আগস্ট থেকে শুরু হওয়ার সেনা অভিযানের মুখে সেদেশ থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

 

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দাবি, পুলিশ পোস্টে হামলা চালানো রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের দমন করাই তাদের উদ্দেশ্য।

 

কিন্তু বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা সেখানে গণহত্যা, ধর্ষণ এবং ব্যাপক অগ্নিসংযোগের অভিযোগ করেছেন সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।

 

মোঘেরিনি বলেন, ইয়াঙ্গুনে দুদিনের সফরে প্রতিনিধিরা সু চি’র সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করবেন।

 

কক্সবাজার পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ‘এই আলোচনা সু চি এবং তার সরকারের সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধানের একটি ক্ষেত্র তৈরি করবে। এর মাধ্যমে এই সঙ্কট নিরসনে পারস্পরিক চিন্তা-ভাবনার বিনিময় করা যাবে।’

 

তিনি বলেন, ‘চাপ প্রয়োগের চেয়ে সবসময় আমরা সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি।’

 

বাংলাদেশে বসবাসরত রোহিঙ্গারা ‘ভয়ঙ্কর দুঃস্মৃতি’ বহন করছেন বলেও জানান তিনি।

 

‘ছোট ছোট বাচ্চারা তাদের থেকেও ছোট বাচ্চাদের দিকে খেয়াল রাখছে, একজন মা হিসেবে এমন দৃশ্য দেখা আমার জন্য কষ্টকর’, বলেন মোঘেরিনি।

 

প্রসঙ্গত, রবিবার বাংলাদেশ, জাপান, সুইডেন এবং জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন মোঘেরিনি।

 

এদিকে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্মতি প্রকাশ করলেও এ নিয়ে নানা টালবাহানা করছে মিয়ানমার। বিভিন্ন সময় বিতর্কিত বক্তব্য এসেছে সেদেশের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে।

 

চলতি রোহিঙ্গা ঢলের আগেও বিভিন্ন সময় দুই লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। আশ্রিত ওইসব রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বরাবরই ক্ষতিগ্রস্থ বাংলাদেশ।

 

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে সমর্থন দেয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন মোঘেরিনিও।

 

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করছে। আমরা আশা করছি এই বিষয়ে একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে পাব আমরা।’

 

(হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে)



আজকের প্রশ্ন