মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১০ জুলাই, ২০১৮, ০৮:৪১:৩০

নারায়ণগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর খণ্ডিত লাশ

নারায়ণগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে  নিখোঁজ ব্যবসায়ীর খণ্ডিত লাশ

নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জে নিখোঁজের ২২ দিন পর স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রবীর চন্দ্র ঘোষের (৭০) খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় নগরীর আমলাপাড়ার একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে ওই লাশ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায়  পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, নারায়ণগঞ্জ নগরীর কালিরবাজারের আরেক স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু সরকার (৩৫) ও তাঁর দোকানের কারিগর বাপেন ভৌমিক (২৪)।
পুলিশ বলছে, বাসায় ডেকে প্রবীর চন্দ্রকে হত্যা করেন পিন্টু ও বাপেন। তাঁদের ধারণা, খুনের পেছনে ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। প্রবীরের মরদেহ যে বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ওই বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) নুরে আলম বলেন, প্রবীর চন্দ্র নিখোঁজের ঘটনায় পিন্টু সরকার ও বাপেন ভৌমিককে সোমবার সকালে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই দুজনকে নিয়ে নগরীর আমলাপাড়া এলাকার রাশেদুল ইসলাম ঠান্ডুর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। মোট তিনটি বস্তায় ৫ টুকরো লাশ পাওয়া যায়।
নুরে আলম বলেন, ১৮ জুন রাতে প্রবীর চন্দ্রকে ওই বাড়িতে হত্যা করা হয়। প্রবীর চন্দ্র ঘোষের সঙ্গে পিন্টু সরকারের ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, টাকা লেনদেনের জের ধরে এ হত্যা। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পিন্টু সরকার ও তাঁর দোকানের কারিগর বাপেন সরকার ওই ভাড়া বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।
প্রসঙ্গত, ১৮ জুন নারায়ণগঞ্জ নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন প্রবীর চন্দ্র ঘোষ। তিনি কালিরবাজারের ভোলানাথ জুয়েলার্সের মালিক ছিলেন। নিখোঁজের তিন দিন পর নিহতের ছোট ভাই বিপ্লব চন্দ্র ঘোষের মুঠোফোনে এক কোটি টাকা চেয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।



আজকের প্রশ্ন