রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুলাই, ২০১৯, ১০:৩১:২১

স্বামীকে আটকে রেখে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে গণধর্ষণ

স্বামীকে আটকে রেখে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে গণধর্ষণ

ঢাকা: নোয়াখালীর সুধারাম থানার দক্ষিণ শুল্লকিয়ায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে স্বামীকে আটকে রেখে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মারধর করে ঘর থেকে টাকা, স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্বামীর দায়ের কোপে এক ধর্ষক আহত হয়।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ৩নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক কন্যা সন্তানের জননী (৩০) ও তার স্বামী জানান, প্রতিদিনের মত বুধবার রাতেও তারা খাওয়া ধাওয়া শেষে মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত অনুমান ৩টার দিকে খুব বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সময় তাদের ঘরের পূর্ব পার্শ্ব দিয়ে সিধ কেটে ৭-৮ জন সন্ত্রাসী তাদের ঘরে ঢুকে গলার স্বর্ণের হার ও কানের দুল এবং ঘরে থাকা নগদ ৯০ হাজার টাকা ও ১টি মোবাইল সেট নেয়। এরপর ঐ ৪ জন নির্যাতিতার স্বামীকে অস্ত্রের মুখে পাশের রুমে আটকে রাখে। এরপর গণধর্ষণ করে। আবার যাবার স্বামীকে বেদম প্রহারও করে। এ সময় তার স্বামী উপায় না দেখে খাটের নিচে থেকে দা নিয়ে ধর্ষক সুলতান (৩৫) কে কুপিয়ে আহত করে।

এরপর অন্য ৩ ধর্ষক আহত সুলতানকে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে।

প্রতিবেশী সুলতান আহমদ জানান, সন্ত্রাসীরা পালানোর সময় তারা পশ্চিম শুল্লকিয়ার হদি মিয়ার ছেলের সুলতান আহমদকে আহত ও রক্তাক্ত অবস্থায় এবং একই গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে কামাল হোসেনকে পালিয়ে যেতে দেখেছে। সে আরো জানায়, প্রতিবেশী রিকশা চালক আবুল কাশেম তাকে জানিয়েছে সে আহত সুলতান আহমদকে তার রিকশায় করে ভোরে একই থানা এলাকার খলিফারহাট এলাকায় তার শ্বশুর বাড়িতে দিয়ে এসেছে। প্রতিবেশীরা ধর্ষিতা (৩০) ও তার আহত স্বামী (৩৮) কে আজ দুপুরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ৩নং ওয়ার্ডে ভর্তি করিয়েছে। পরে ডাক্তার এসে তাকে ২নং গাইনী ওয়ার্ডে ট্রান্সফার করে তার চিকিৎসা দিচ্ছেন।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (উপ-পরিচালক) ডাঃ খলিল উল্যাহ জানান, ভিকটিমকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে পুলিশ রিকুইজেসান দিলে ধর্ষণের ব্যাপারে পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেয়া হবে।

সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, এ ব্যাপারে এখনও থানায় কোন মামলা রুজু হয়নি। তারপরও খবর পেয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাসপাতালে গিয়ে ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলেছে। পুলিশ পরিদর্শক আবদুল বাতেন মৃধা জানান, ভিকটিমের সঙ্গে সে কথা বলেছে। সে ঘটনাস্থলে যায়নি। হাসপাতালে ভিকটিম ও তার স্বামী এবং বাড়িতে থাকা তাদের একমাত্র মেয়ে (৫) নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গণধর্ষনের সঙ্গে জড়িতরা গ্রেফতার হয়নি।

এই বিভাগের আরও খবর

  গার্মেন্টসের ভিসায় এসে ক্যাসিনো ক্লাব পরিচালনা করতেন ১৩ নেপালী

  ‘প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চারের ইঙ্গিত দিলেও নেতারা আঁচ করতে পারেননি’

  ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান শুরু

  অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে ব্যর্থতায় সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল

  ধরা পড়া সবাই একসময় যুবদল-বিএনপি করতো: এইচ টি ইমাম

  চাঁদাবাজির অভিযোগে মহিলা আ.লীগ নেত্রী বহিষ্কার

  বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাদের ফেসবুক ব্যবহারে নির্দেশনা

  প্রকল্প বাস্তবায়নে টাইমলাইন মানা উচিত:এলজিআরডি মন্ত্রী

  তিস্তার পানি বন্টন আলোচনায় দিল্লিতে থাকছেন না মমতা

  তারেক রহমান বড় অজগর সাপ: তথ্যমন্ত্রী

  ক্যাসিনো ব্যবসা করতে দেব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী



আজকের প্রশ্ন