বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০১:২২:২২

পাবনার সেই ঘটনায় ওসি প্রত্যাহার, এসআই বরখাস্ত

পাবনার সেই ঘটনায় ওসি প্রত্যাহার, এসআই বরখাস্ত

পাবনা : পাবনায় গৃহবধূকে গণধর্ষণের পর থানায় এক আসামির সঙ্গে বিয়ের ঘটনায় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুল হককে প্রত্যাহার ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) একরামুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের বেঞ্চে এ ঘটনার প্রকাশিত খবর তুলে ধরে সদর থানার ওসির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে স্বপ্রণোদিত আদেশ চান সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল, ব্যারিস্টার গাজী ফরহাদ রেজা ও অ্যাডভোকেট রোহানী সিদ্দিকা।

আইনজীবী আদালতের কাছে বলেন, ‘থানায় বসে গণধর্ষণের শিকার নারীর সঙ্গে ধর্ষণের মূল হোতার সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন ওসি।’

আদালত বলেন, ‘আজ টিভিতে দেখলাম মূল অভিযুক্ত ব্যক্তি আটক হয়েছেন। ওসিকেও শোকজ করা হয়েছে।’

তখন আইনজীবী বলেন, ‘পত্রিকায় দেখেছি ভিকটিম ও কাজীকে ওসির লোকজন ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাতে তদন্ত ভিন্ন মোড় নিতে পারে।’

আদালত বলেন, ‘আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। আগে দেখি প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়।’

যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে আগামী সপ্তাহে বিষয়টি আদালতের নজরে আনতে আইনজীবীকে বলা হয়।

অভিযোগ উঠেছে পাবনা সদর থানার ওসি ওবাইদুল হকের বিরুদ্ধে। ‘দলবদ্ধ ধর্ষণের হোতার সঙ্গে ধর্ষিতার বিয়ে দিলেন ওসি’ গত ৯ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে থানার ভেতরে অভিযুক্ত এক ধর্ষকের সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পাবনা সদর থানার ওসি ওবাইদুল হকের বিরুদ্ধে।

বলা হচ্ছে, গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে পাবনা সদর থানায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ ও তার পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় তারা মামলা করতে চাইলেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপে মামলা না নিয়ে ওসি উল্টো ধর্ষক রাসেল আহমেদের সঙ্গে গৃহবধূকে জোর করে বিয়ে দিয়ে দেন। পুলিশ অভিযুক্ত ধর্ষকের সঙ্গে গৃহবধূর বিয়ের বিষয়টি স্বীকার করলেও তা থানার মধ্যে ঘটেনি বলে দাবি করছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।’

ভুক্তভোগী গৃহবধূর করা লিখিত অভিযোগে বলা হয়, পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের সাহাপুর যশোদল গ্রামে স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। গত ২৯ আগস্ট রাতে একই গ্রামের আকবর আলীর ছেলে রাসেল আহমেদ চার সহযোগীকে নিয়ে তাকে কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। টানা চার দিন অজ্ঞাত একটি জায়গায় আটকে রেখে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে রাসেল ও তার সহযোগীরা।

পরে তিনি কৌশলে পালিয়ে এসে স্বজনদের বিষয়টি জানালে তারা ৫ সেপ্টেম্বর তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তিনি (গৃহবধূ) নিজেই বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ ধর্ষক রাসেলকে আটক করে। তবে বিষয়টি মামলা হিসেবে এজাহারভুক্ত না করে পুলিশ তাকে থানায় ডেকে নিয়ে যায়।

পরে সেখানে তাকে আগের স্বামীকে তালাক দিয়ে অভিযুক্ত রাসেলের সঙ্গে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

  রাতেই ছাত্রদলের কাউন্সিল, ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি

  শেখ হাসিনার জন্মগত পিতা মুজিব, রাজনৈতিক পিতা জিয়া: আলাল

  কবে জেলে যাবে শোভন-রাব্বানী, জানতে চান মোশাররফ

  সেবার মনোভাব না থাকায় বিএনপি কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

  শোভন-রাব্বানীর অপসারণে ‘অপশাসনের মুখোশ’ খুলে গেছে: মওদুদ

  সৌদি থেকে শূন্য হাতে ফিরলেন আরো ১৬০ জন

  একদিন পাক অধিকৃত কাশ্মিরও ভারতের হবে: জয়শঙ্কর

  বাংলাদেশে ঢুকতে পারে আরও ৬ লাখ রোহিঙ্গা

  রাজশাহীতে ভাবি-ভাতিজা খুন: দেবরসহ ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

  রোহিঙ্গা সংকট: চীনকে নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে বসছে বাংলাদেশ

  ছাত্রদলের কাউন্সিলরদের নয়া পল্টনে থাকার নির্দেশ



আজকের প্রশ্ন