সোমবার, ১৮ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০১:৪৭:৫৮

৮ হাজার ৫৬ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার

৮ হাজার ৫৬ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার

মালয়েশিয়া: অবৈধভাবে বসবাসের জন্য বিভিন্ন মেয়াদে সাজা শেষে ৮ হাজার ৫৬ জন বাংলাদেশিসহ মোট ৪১ হাজার ৪১ জন অভিবাসীকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার।

জানা গেছে, চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী ১২ হাজার ৪৪৮টি অভিযান পরিচালনা করে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৭৭ জন বিদেশি নাগরিকের নথিপত্র যাচাই করে ৩৬ হাজার ৬৬৪ জনকে অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়।
এই সময় অবৈধ অভিবাসীদের চাকরি দেয়া অথবা তাদেরকে সহায়তা করার জন্য ৯২২ জন চাকরিদাতাকেও আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে ১২ হাজার ১৪২ জন ইন্দোনেশিয়ান, ৮ হাজার ৫৬ জন বাংলাদেশি, ৩ হাজার ৬৩৫ জন মিয়ানমার, ৩ হাজার ১৪৯ জন ফিলিপিন, ২ হাজার ১২৭ জন থাই, ২ হাজার ৬ জন ভারতীয়, ১ হাজার ৪৩৬ জন পাকিস্থানি, ১ হাজার ৩১৩ জন ভিয়েতনাম, ৮০০ জন চীনা, ৭৬৫ জন নেপালি এবং ১ হাজার ২১৫ জনসহ অন্যান্য দেশের নাগরিককে আটক করা হয়।

এদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন, ১৯৫৯-এর ধারা ৬ (১) সি/১৫ (১) সি এবং পাসপোর্ট আইন, ১৯৬৬-এর ১২ (১) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

ইতোমধ্যে বহু বিদেশি অভিবাসী যার যার দেশে ফেরত গেলেও গুরুতর অপরাধে ৯ হাজার ৫৩২ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করে অভিবাসন বিভাগ। এসব বন্দিদের সাজা শেষে দেশে ফেরত যাওয়ার অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে।  তবে এদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

এদিকে, মালয়েশিয়ার ১৪টি ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে আটক ৯ হাজার ৫৩২ অবৈধ অভিবাসীদের খাবারের পিছনে প্রতি মাসে ৩.৫ মিলিয়ন রিঙ্গিত ব্যয় করছে বলে জানান ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক খায়রুল দাজাইমি দাউদ।

মহাপরিচালক বলেন, বিভিন্ন কারাগার ও ক্যাম্পে যারা আটক আছেন, তাদের বেশিরভাগই অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ কিংবা অবৈধভাবে থাকার কারণে গ্রেফতার হয়েছেন। ১৪টি ইমিগ্রেশন ডিপোতে আটক এসব অবৈধ অভিবাসীদের এক থেকে দুই মাসের জন্য সেখানে রাখা হয়। সেখান থেকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে তাদের কূটনৈতিক মিশন (দূতাবাস) দ্বারা পরিচয় ও আনুষঙ্গিক কার্যাদি সম্পন্ন শেষে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

তিনি আরও বলেন, বুকিত জলিল, কুয়ালালামপুর, কেলআইএ, সেপাং, লেংগিং, নেগরি সেমবিলান, জুরু ও পুলাউ পেনাং ডিপো থেকে আটকদের মধ্যে কিছু অভিবাসীদের দ্রুত যার যার দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

এদিকে মালয়েশিয়ার প্রতিটি ক্যাম্প পরিদর্শন করছেন বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্টরা। দূতাবাসের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রত্যেকটি ক্যাম্পে কতজন বাংলাদেশি আটক রয়েছে তাদের তালিকা দ্রুত মিশনে পাঠাতে বলা হয়েছে। যাদের সাজার মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদের দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

হাইকমিশনের শ্রম শাখার প্রথম সচিব হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডল জানান, বন্দি শিবিরে যারা আটক রয়েছেন, তাদেরকে দ্রুত দেশে পাঠানোর সব রকম ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।  এর মধ্যে দূতাবাসের শ্রম শাখার সচিবরা প্রত্যেকটি বন্দি শিবির পরিদর্শন করে বাংলাদেশিদের নাগরিকত্ব যাচাই এবং শনাক্ত করে পর্যায়ক্রমে তাদের দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় দেখা যায়, একটি ক্যাম্প থেকে তালিকা দিতে এক থেকে দুই সপ্তাহ বিলম্ব হওয়ায় দূতাবাস থেকে ট্রাভেল পাস ইস্যু করতে সমস্যা হয়। আবার ক্যাম্প থেকে তালিকা পাঠানো হলেও ব্যক্তির ফরম থাকে না।  পরে ক্যাম্পে যোগাযোগ করে তা নিয়ে আসতে হয়। তারপরও দ্রুত বন্দিদের দেশে পাঠাতে দূতাবাস কাজ করে যাচ্ছে নিরলসভাবে।

এই বিভাগের আরও খবর

  ৩০০ টাকার পেঁয়াজ সরকারের দিনবদলের সনদ: ভিপি নুর

  সরকারি স্কুলে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ

  অফিসে বসে বাবা দেখছিলেন শিশুটিকে বীভৎসভাবে মারছে গৃহকর্মী!

  সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়স হবে ৬০ বছর

  যে কারণে এয়ার ইন্ডিয়া ও ভারত পেট্রোলিয়াম বিক্রির ঘোষণা

  হলি আর্টিজান মামলার রায় ২৭ নভেম্বর

  মহাখালীতে আবাসিক হোটেলে লিফটের দরজায় চাপা পড়ে যুবক নিহত

  খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আইজি প্রিজনকে ঐক্যফ্রন্টের চিঠি

  আদাবরে ঘরের মেঝেতে স্ত্রীর রক্তাক্ত লাশ, স্বামী লাপাত্তা

  অবতরণের সময় চাকা ফেটেছে নভোএয়ারের, রক্ষা পেল ৩৩ যাত্রী

  বিএনপি-জামায়াত যমজ ভাই: কাদের



আজকের প্রশ্ন