বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০৮ অক্টোবর, ২০১৯, ০৫:৪২:৫০

খাদ্যাভাসের পাঁচ পরিবর্তনে কমান হৃদরোগ ঝুঁকি

খাদ্যাভাসের পাঁচ পরিবর্তনে কমান হৃদরোগ ঝুঁকি

স্বাস্থ্য ডেস্ক : বিশ্বে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনযাপন পদ্ধতি ও খাদ্যাভাসের কারণেই এ সমস্যা বাড়ছে। গবেষকরা বলছেন, খাদ্যাভাসে মাত্র পাঁচটি পরিবর্তন এনে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়ানো যায়। যেমন-

১. আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া: যেসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ আছে সেসব খাবার খেতে হবে। এসব খাবারের কারণে শরীরে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়।কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এই ব্যাকটেরিয়া।

বেশি আঁশযুক্ত খাবারের মধ্যে শিম, মটরশুঁটি জাতীয় সবজি, কলাই, ডাল জাতীয় শস্য এবং ফলমূল উল্লেখযোগ্য। পুষ্টি বিজ্ঞানীরা বলছেন, আলু এবং শেকড় জাতীয় সবজি খোসাসহ রান্না করলে সে গুলো থেকেও প্রচুর আঁশ পাওয়া যায়। এছাড়াও হোলগ্রেইন আটার রুটি এবং বাদামি চাল খাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

২. স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা জমাট-বাঁধা চর্বি জাতীয় খাবার কমানো: খাদ্য বিজ্ঞানীরা বলছেন, যেসব খাবারে বেশি স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা জমাট-বাঁধা চর্বি থাকে সেসব খাবার খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। এতে হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে। পনির, দই, লাল মাংস, মাখন, কেক, বিস্কুট ও নারকেল তেলে প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে।

পুষ্টিবিদরা বলছেন, হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে যেসব খাবারে চর্বি জমে না সেসব খাবার খাওয়া উচিত। এসব খাবারের মধ্যে তেল সমৃদ্ধ মাছ, বাদাম ও বীজ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া অলিভ, রেপসিড, সানফ্লাওয়ার, কর্ন এবং ওয়ালনাট তেল দিয়ে রান্নার বিষয়েও তারা জোর দিয়েছেন।

লাল মাংসের বদলে মুরগীর মাংস খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। তবে গরুর মাংস খেলে তার উপর থেকে চর্বি ফেলে দিয়ে রান্নার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

৩. লবণকে বিদায় জানান: লবণ বেশি খেলে শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যায়। এর ফলে বৃদ্ধি পায় হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও। খাদ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লবণের পরিবর্তে মসলা দিয়ে খাবার প্রস্তুত করলে তা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাবে।

৪. ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া: যেসব খাবারে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ বেশি থাকে সেগুলো আমাদেরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, এসব খাবার হৃদরোগের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়। এ জন্য প্রতিদিন পাঁচটি ফল বা সবজি খাওয়া খাওয়া উচিত ।

৫. ক্যালরি কমানো: মোটা হলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষ করে কোমরে চর্বি জমা হলে এ সমস্যা বাড়ে। ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

এসব ছাড়াও প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম, সপ্তাহে পাঁচদিন ৩০ মিনিট করে ব্যায়াম, মানসিক চাপ কমানো এবং ধূমপান ছেড়ে দিলে হৃদরোগের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

সূত্র: বিবিসি



আজকের প্রশ্ন