মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৭, ১১:০৪:৩১

কোন বাংলাদেশী ব্যাবসায়ী মিশরে হয়রানি হলে সরাসরি আমাকে জানান

কোন বাংলাদেশী ব্যাবসায়ী মিশরে হয়রানি হলে সরাসরি আমাকে জানান

কায়রো, মিশর থেকে ইউ.এইচ. খান : প্রাচীন সভ্যতা ও পিরামিডের দেশ মিশরে বাংলাদেশীদের জন্য তৈরি পোষাক, প্রসাধনী, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, শিক্ষা সহ অনেক ক্ষাতে অপার সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। এতদিন বিদেশি বিনিয়োগকারী মিশরে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার জন্য হতাশ ছিল। তবে এর মাঝেই কিছু বাংলাদেশী মিশরের তৈরি পোশাক খাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। 

গত রবিবার  মিশরের ব্যাবসা ও বিনিয়োগ বিষয়ক মন্ত্রী তারিক কাবিল কায়রোতে তার নিজ অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের নতুন কিছু পদক্ষেপের ঘোষনা দেন। এতে বিদেশী ব্যাবসায়ীদের জন্য ওয়ানস্টপ সার্ভিস, বিশেষ আইনগত সেবা, ভিসা কোঠা বৃদ্ধি, ট্যাক্স মওকুফ সহ বেশ কিছু ব্যাবসায়ী বান্ধব ঘোষনা দেন। প্রশ্ন উত্তর পর্বে  বাংলাদেশী সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন “বাংলাদেশীদের দক্ষতা সম্পর্কে আমি অবগত এবং কোন বাংলাদেশী যদি মিশরে ব্যাবসা সম্প্রসারন করতে হয়রানীর শিকার হয় তবে সরাসরি আমাকে জানাবেন, আমি ব্যাবস্থা নিব। বাংলাদেশী ব্যাবসায়ীদের মিশরে স্বাগতম। ” মিশর মূলত আমদানী নির্ভর শিল্পের দেশ। 

বাংলাদেশের সাথে ব্যাবসায়ীক সম্পর্ক বিষয়ে সরকারী ভাবে তৎপর হলে অনেক উন্নতি করা সম্ভব। মিশরের অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান পাটজাত কাচামালের উপর নির্ভরশীল। অতীতে বাংলাদেশই ছিল বড় যোগানদাতা। তবে সম্প্রতি বছর গুলোতে বাংলাদেশ সরকারের প্রয়োজনীয় তদারকির অভাবে পাট ব্যাবসা এখন ভারত, ভারত, পাকিস্তান, কেনিয়া, তানজানিয়ার মত দেশের হাতে চলে যাচ্ছে।

 এছাড়া প্রসাধন সামগ্রী, ঔষধ ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য পন্যের বড় বাজার হতে পারে মিশর। নতুন ঘোষিত নীতি বাংলাদেশী ব্যাবসায়ীদের আরো সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করবে । অন্যদিকে আঙ্গুর, কমলা, মাল্টা , পেয়াজ সহ অনেক বাংলাদেশের নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য চীন ও ভারতের থেকেও উন্নত মানের এবং  কম দামে আমদানী করা সম্ভব।

 

 



আজকের প্রশ্ন