বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭, ০২:১০:৫৮

নির্বাচনে আ’লীগ অংশ নে‌বে না: গয়েশ্বর

নির্বাচনে আ’লীগ অংশ নে‌বে না: গয়েশ্বর

ঢাকা: বিএন‌পি স্থায়ী ক‌মি‌টির সদস্য গ‌য়েশ্বর চন্দ্র রায় ব‌লেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমা করেছেন, আমরাও ক্ষমা করে দেবো। কিন্তু জনগণ কী ক্ষমা করবে?’

‌তি‌নি ব‌লেন, ‘জনগণের দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ। পাশাপা‌শি জনগণ এও বিশ্বাস করে আগামী‌তে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ সে নির্বাচনে অংশ নেবে না। তাই যারা এখন ক্ষমতায় আছেন তারা গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসুন। একটু ক্ষমা চান। এই দেশ সেই দেশ ঘুরতে হবে না। বাংলাদেশেই থাকতে পারবেন।’

সোমবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনস্থ ভাসানী ভবনে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এসব কথা বলেন। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি। এসময় কেক কেটে তারেক রহমানের জন্মদিন পালন করা হয়।

গয়েশ্বর বলেন, ‘আমরা এখন ঘন ঘন আদালতে হাজিরা দেই আপনারা (আওয়ামী লীগ) মাঝে মাঝে আদালতে হাজিরা দিবেন।’

তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের জন্মদিন পালনে যতই বাধা দেয়া হচ্ছে আমাদের অনুভূতি অারও বেগবান হচ্ছে। প্রায় ২ যুগ ধরে তাকে নির্বাসিত করার জন্য তার জীবন ও চরিত্র কলুসিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে সব চেষ্টা অপচেষ্টায় ধূলিস্যাৎ হয়েছে। কারণ যে গাছে ফল হয় সে গাছেই মানুষ ঠিল মারে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের কাছে তারেক রহমান উৎসাহ উদ্দীপনা ও সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব। তারেক রহমান গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করছেন। যেদিন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পাবে সেদিন জন্মদিন পালন স্বার্থক হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার দুঃখ আছে, তিনি অনেক হতাশ। কারণ হাসিনার নাম যেখানে-সেখানে গণতন্ত্র থাকে না। আর যেখানে গণতন্ত্র থাকে সেখানে হাসিনা অনুপস্থিত থাকতে বাধ্য। তিনি এখন ভাটায় পড়েছেন। পক্ষান্তরে খালেদা জিয়ার জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।’

দলের নেতাকর্মীদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান কোথাও কোথাও সমালোচিত হয়েছেন। তবে নিজের কারণে নয়। তাই আমাদেরকে সংযত হতে হবে।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, জন্মদিনকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে তারেক রহমানকে অনুভব করছি। সাধারণ মানুষও তার জন্মদিন পালন করছে। তিনি হঠাৎ করেই রাজনীতিতে আসেননি। তিনি বর্তমানে দেশের বাহিরে আছেন তারপরও তার উপর মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে। প্রতিহিংসার যেন শেষ নেই। মানুষিকভাবে বিপর্যস্ত করো, হয়রানি করো, শাস্তি দাও এটাই সরকারের টার্গেট।

তিনি বলেন, ‘সরকারের পতন ঘটাতে না পারলে ভয়ংকর বিপদের মুখোমুখি হতে হবে। আজকে ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, শিক্ষক হারিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। রংপুরের ঘটনায় সরকারের মিথ্যাচারের সমালোচনা করেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাসারের সঞ্চালনায় দলটির যুগ্ম-মহাসচিব ও মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি আবদুল মালেক, মহানগর উত্তর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি বজলুল বাসিত আঞ্জু প্রমুখ।

আজকের প্রশ্ন

কিছু সহিংসতা ও অনিয়ম হলেও সামগ্রিকভাবে ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে—সিইসির এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?