শুক্রবার, ২০ জুলাই ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১৫ মে, ২০১৮, ০৪:৪৬:০০

পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সহিংসতা, নিহত ১৬

পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সহিংসতা, নিহত ১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় অন্তত ১৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সোমবার রাত পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ খবর জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

এই নির্বাচনকে ঘিরে সংঘর্ষ, ব্যালট বাক্স পোড়ানো, ব্যালট পেপার পানিতে ফেলে দেওয়া ও হতাহতের ঘটনায় ক্ষমতাসীন তৃণমূল দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার। কয়েক জায়গায় বিরোধীদলগুলোর বিরুদ্ধেও সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে।

নির্বাচনী সহিংসতায় ছয় জনের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে রাজ্য পুলিশ। তারা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে তিন জন তৃণমূলের, দুই জন সিপিএম ও এক জন ঝাড়খণ্ড দলের কর্মী।

এর বাইরে এ দিন নিহত অন্যান্যদের সঙ্গে ভোটের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি পুলিশের।

সহিংসতার বিভিন্ন ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নদিয়া জেলার শান্তিপুরের বাবলা গ্রামে জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে এক যুবককে বুথের মধ্যেই পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। নন্দীগ্রামে বিরোধী পক্ষের গুলিতে সিপিএমের দুই কর্মী নিহত হন। তৃণমূলের ‘বাইকবাহিনীকে’ প্রতিরোধ করতে গিয়ে তারা নিহত হন বলে অভিযোগ সিপিএমের।

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা ও দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমন্ডিতে তাদের দুই সমর্থক নিহত হয়েছেন বলে দাবি রাজ্য বিজেপির।

এর পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলায় সহিংসতায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন কমিশন রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও ব্যাপক সহিংসতার পর পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা, কোথাও পুননির্বাচন করা হবে কি না তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি বলে জানা গেছে।

রোববার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন পাশে আছে এই আশ্বাস দিয়ে সবাইকে নিরাপদে ভোট দিতে বলেছিলেন।

কিন্ত নির্বাচনে সহিংসতা ও প্রাণহানির পর রাজ্য সরকারের একটি সূত্র ৪৭ হাজার বুথে ভোট হয়েছে জানিয়ে সে তুলনায় সহিংসতার ঘটনা ‘নগণ্য’ বলে দাবি করেছেন।

এর আগে ২০১৩ সালে রাজ্যটির পঞ্চায়েত ভোটে সহিংসতায় মোট ২৫ জন নিহত হয়েছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?