সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ২০ জুলাই, ২০১৮, ১২:০০:৪৯

বাংলাদেশ নিশ্চিত করেছে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ কড়া হাতে দমন করবে: সুষমা

বাংলাদেশ নিশ্চিত করেছে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ কড়া হাতে দমন করবে: সুষমা

নিউজ ডেস্ক: ভারপতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার নিশ্চিত করেছে যে, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ কড়া হাতে দমন করা হবে।

এছাড়া বাংলাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা গত কয়েক বছরে ২ শতাংশ বেড়েছে বলেও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় প্রশ্নোত্তরপর্ব চলার সময় লিখিতভাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

দেশটির গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রাজ্যসভায় সুষমা দাবি করেছেন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে সংখ্যালঘু সমস্যা সম্পর্কে ভারত সরকার অবগত। তবে ভারতের উদ্যোগ শুধু দ্বিপাক্ষিক স্তরে বিষয়টি উত্থাপন করেই আটকে নেই, সমস্যা সমাধানে ওইসব দেশের সরকারগুলোর সঙ্গেও হাত মিলিয়েছে কেন্দ্র।

সুষমা বলেন, বাংলাদেশ সরকার নিশ্চিত করেছে, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা কড়া হাতে দমন করা হবে। একই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আফগানিস্তানও। পাকিস্তানে সংখ্যালঘু নিগ্রহ নিয়ে জাতিসংঘে সরব হয়েছে ভারত।

রাজ্যসভার প্রতিনিধিদের এদিন নাগরিকত্ব আইন সংশোধন বিলে সম্মতি জানানোর অনুরোধও জানিয়েছেন সুষমা স্বরাজ।

বাংলাদেশ ব্যুরোর তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া ভরতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব অনুসারে, বাংলাদেশে ২০১১ সালে ৮.৪ শতাংশ হিন্দুর বাস ছিল। ২০১৭ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১০.৭ শতাংশ।

সুষমা স্বীকার করে নেন, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ঠিকই। তবে বাংলাদেশ সরকার এ ধরনের ঘটনা আটকাতে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে। এ সব বরদাস্ত করা হবে না বলে সাফ জানিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও রংপুরে দুটি হামলার কথা উল্লেখ করে সুষমা বলেন, প্রথম ক্ষেত্রে ৬৭ জনকে জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে। রংপুরেও উসকানিদাতারা জেলেই রয়েছে। দুটি মামলাই আপাতত বিচারাধীন।

অন্যদিকে, আফগানিস্তান সরকারও দেশীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন সুষমা স্বরাজ।

পাকিস্তান থেকে অত্যাচারিত সংখ্যালঘুরা শরণার্থী হিসেবে ভারতে প্রবেশ করছেন, এ দাবি মেনে নিয়েছেন তিনি।

সুষমা বলেন, বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন হলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দায়িত্ব এড়াচ্ছে না। শরণার্থী সংখ্যালঘুদের যাতে দ্রুত নাগরিকত্ব দেওয়া যায়, সেজন্যই রাজ্যসভার সংসদ সদস্যদের নাগরিকত্ব আইন সংশোধন বিলে সম্মতি জানানোর অনুরোধ জানান সুষমা।

লোকসভায় ইতিমধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে বিলটি পাস হয়েছে। রাজ্যসভার সম্মতি পেলেই বিলটি আইনে পরিণত হতে পারে।

সুষমা বলেন, যারা ভারতে শরণার্থী হিসেবে আসছেন, তাদের প্রথমে ২ বছরের ভিসা দেওয়া হবে। এরপর আরও ৫ বছর। তারপরও যদি তারা এদেশে থেকে যেতে চান, তাহলে নতুন আইন অনুসারে ৭ বছরের মাথায় স্থায়ী নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?