রবিবার, ২১ এপ্রিল ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৯, ০৪:৩৯:৪৩

‘নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ জনগণের সবচেয়ে বড় শত্রু’

‘নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ জনগণের সবচেয়ে বড় শত্রু’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপি সভাপতি অমিত শাহকে ‘জনগণের সবচেয়ে বড় শত্রু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান ডা. ফারুক আব্দুল্লাহ। রোববার মীর বাহরি ডাল এলাকায় এক সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফারুক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি ও অমিত শাহ মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু যারা জাতি ও ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে বিভক্ত করতে বিশ্বাসী। কিন্তু জনগণ বিজেপির বিভাজনমূলক অ্যাজেন্ডায় না পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

বিজেপিকে টার্গেট করে ফারুক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ওরা দেশকে বিভক্ত করতে চায়। এই নির্বাচনে প্রমাণ হবে দেশ ধর্মনিরপেক্ষ থাকবে কি না। নিজেদের পরিচিতি ও রাজ্যের ঐক্যে রক্ষার স্বার্থে আমাদেরকে ভোট দিতে হবে। আমাদের পক্ষ থেকে কোনও ভুল হলে আগামী প্রজন্মের জন্য তা গুরুতর প্রতিক্রিয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিজেপি লোকেদের দৃষ্টি ঘোরাতে আবেগপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করছে। ওরা সংবিধান পরিবর্তন করতে চায় যা সবাইকে সমান অধিকার ও সুযোগ প্রদান করে।’

ফারুক আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ‘সংবিধান রাজ্যকে ৩৫-এ এবং ৩৭০ ধারার মাধ্যমে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। কিন্তু ওরা সবসময় এর সঙ্গে খেলা করার চেষ্টা করছে।

বিজেপির ঘোষণাপত্রে (ইশতেহারে) স্পষ্ট যে রাজ্যের পরিচিতিকে কীভাবে ওরা ঘৃণা করে। এতে রাজ্যের জনবিন্যাস পরিবর্তনের অ্যাজেন্ডা রয়েছে। ওরা আগুন নিয়ে খেলছে।’

তারা রাজ্যের পরিচিতি, অখণ্ডতা ও বহুত্ববাদী চরিত্রকে রক্ষা করে যাবেন এবং কাউকে তাঁদের অধিকার হরণ করতে দেবেন না বলেও ডা. ফারুক আব্দুল্লাহ হুঁশিয়ারি দেন।

গত শনিবারও তিনি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে তাকে স্বৈরশাসক হিটলারের সঙ্গে তুলনা করেন। শ্রীনগরের খানয়ারে এক জনসভায় ভাষণ দেয়ার সময় তিনি বলেন, মোদি যেভাবে সবার সঙ্গে সকলের উন্নয়নের কথা বলছেন, জার্মানিতে হিটলারও একথা বলেছিল।

তিনি বলেন, ওরা ৩৭০ ধারা তুলে দেয়ার কথা বলছেন। কিন্তু আমরাও দেখতে চাই কীভাবে ওই ধারা তুলে দেয়া হয়। তাঁরা চুড়ি পরে নেই এবং কঠোরভাবে এর মোকাবিলা করা হবে বলেও ফারুক আব্দুল্লাহ মন্তব্য করেন।

তথ্যসূত্র: পার্সটুডে

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?