শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৯, ০২:৩২:৫৬

ভারতকে পাকিস্তানের এ কেমন শান্তিবার্তা!‍

ভারতকে পাকিস্তানের এ কেমন শান্তিবার্তা!‍

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের সপ্তদশ লোকসভার ভোটের ফল গণনা ও ঘোষণা শুরু হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই। প্রতিবেশী ও চিরশত্রু দেশ পাকিস্তান সে খবর রাখছে ভালোভাবেই।

এখন পর্যন্ত ভোটের প্রাথমিক পর্যায়ের ফলের হিসাবে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে আছে ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। ঠিক এমন সময়ে পাকিস্তান ইঙ্গিত দিল, ভারতের সঙ্গে শান্তি আলোচনা শুরু করতে চায় তারা।

বলে রাখা ভালো, ভারতের এবারের নির্বাচনের ঠিক আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতশাসিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর জঙ্গি হামলার প্রেক্ষাপটে উপমহাদেশের এ দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

পরে ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তানের অভ্যন্তরে পুলওয়ামা হামলার দায় স্বীকারকারী সংগঠন জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদের ঘাঁটি বোমা মেরে ধ্বংস করার দাবি করলে সে উত্তেজনা সংঘাতে রূপ নেয়। সে হামলায় অনেকের হতাহতের হওয়ারও দাবি করেছিল ভারত।

আবার ঠিক একই সময়ে ভূমি থেকে ভূমিতে আঘাত হানতে সক্ষম ব্যালিস্টিক মিসাইল ‘শাহিন টু’র সফল পরীক্ষা চালানোর ঘোষণাও দিয়েছে পাকিস্তান।

সরাসরি কারো নাম উল্লেখ না করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘এ অঞ্চলে ভারসাম্য বজায় রাখতে পাকিস্তানের যে কৌশলগত অবস্থানের প্রয়োজন, তার পুরোটাই মেটাতে সক্ষম শাহিন টু।’

এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গতকাল বুধবার কিরগিজস্তানের রাজধানীতে ‘সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন’ আয়োজিত এক সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি।

বৈঠক শেষে কুরেশি বলেন, ‘আমরা কখনোই তিতা ভাষায় কথা বলি না। ভালো প্রতিবেশীর মতো আমরা নিজেদের মধ্যকার অমীমাংসিত বিষয়গুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে চাই।’

এর আগে গত মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জানিয়েছিলেন, তিনি কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে ভারতের সঙ্গে সংলাপ চান। তিনি আরো বলেন, মোদির দল বিজেপি নির্বাচনে জিতলে কাশ্মীর সংকট নিষ্পত্তি নিয়ে আলোচনার আরো সুযোগ আসবে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?