মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০১৯, ০৯:৫৪:০৮

ইরানকে জবাব দিতে মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তি সেনা পাঠানোর ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানকে জবাব দিতে মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তি সেনা পাঠানোর ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরান আগামী ১০ দিনের মধ্যে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে বিদ্যমান পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে নিজেদের ইউরেনিয়াম মজুদ ও সমৃদ্ধকরণ মাত্রা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।

গতকাল সোমবার দেশটির পরমাণু শক্তি সংস্থার মুখপাত্র বেহরুজ কামালভান্দি এ ঘোষণা দেন বলে আজ সংবাদ সংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের চাপানো অর্থনৈতিক অবরোধ ও দেশটির সঙ্গে চলমান উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে পরমাণু চুক্তি রক্ষায় ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করতে ইরান এ ঘোষণা দিল।

এদিকে, ইরানের এ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে অতিরিক্ত এক হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা সচিব প্যাট্রিক শানাহান জানান, ইরানের ‘বৈরী আচরণের’ পরিপ্রেক্ষিতে সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এ ঘোষণার পর মার্কিন নৌবাহিনী ওমান উপসাগরে তেলের ট্যাঙ্কারে সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের সংযোগ আছে দাবি করে নতুন কিছু ছবিও প্রকাশ করে। যদিও শুরু থেকেই এ ধরনের অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে আসছে ইরান।

অন্যদিকে, চলমান পরিস্থিতি নিরসনে যথাযথ ভূমিকা পালন না করে সময়ক্ষেপণের জন্য ইউরোপীয় দেশগুলোকে অভিযুক্ত করেছে ইরান। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে পরমাণু নিয়ন্ত্রণবিষয়ক এক চুক্তি স্বাক্ষর করে ইরান।

বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু গত বছর ইউরোপীয় মিত্রদের বাধা সত্ত্বেও ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে ইরানের ওপর তেল রপ্তানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে একের পর এক অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ইরান জানিয়েছে, আগামী ২৭ জুনের মধ্যে দেশটি ইউরোপের সঙ্গে করা ওই পরমাণু চুক্তির একাংশ থেকে বেরিয়ে যাবে। পরমাণু সংস্থার মুখপাত্র জানান, নতুন করে এই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ২০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছতে পারে, যা পরমাণু অস্ত্র নির্মাণে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়ামের মজুদের কাছাকাছি।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?