বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০১৯, ০৬:২০:২৪

কাশ্মিরে বেশিরভাগ মসজিদেই মেলেনি নামাজের অনুমতি

কাশ্মিরে বেশিরভাগ মসজিদেই মেলেনি নামাজের অনুমতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ভারত-শাসিত কাশ্মিরের বেশিরভাগ বড় মসজিদে ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের সুযোগ দেয়নি কর্তৃপক্ষ। সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সরকারের হাতে আটক অথবা নজরবন্দি অবস্থায় থাকা রাজ্যের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতিসহ রাজ্যের মুসলিম বাসিন্দারা স্থানীয় ছোট ছোট মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

নিরাপত্তা চৌকি, নজরদারি আর কারফিউয়ের ঘেরাটোপে বন্দি হয়ে পড়েছে কাশ্মিরিদের ঈদের আনন্দ। প্রতি বছরই ঈদুল আজহার অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকে উৎসবের ঢেউ লেগে যায় উপত্যকায়। দলবেধে মানুষ বাজারে যায়; পোশাকসহ বিভিন্ন সাজসরঞ্জাম কেনে। বেকারির দোকানগুলোতে সাজসাজ রব পড়ে যায়। তবে এবারের বাস্তবতা একেবারেই আলাদা।

সরকারের পক্ষ থেকে কাশ্মিরিদের ঈদ উদযাপনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হলেও পরিস্থিতি বলছে ভিন্ন কথা। শ্রীনগরের বেকারিগুলোতে প্রতি বছর ঈদের আগের দিন পণ্য ফুরিয়ে যায়, সেখানে এবার প্রতিবারের তুলনায় ১০ ভাগ পণ্যও বিক্রি হয়নি। সোমবারের ঈদকে সামনে রেখে পোশাক-পরিচ্ছদও তেমন একটা কিনতে দেখা যায়নি কাউকে। কোরবানির পশু বিক্রির হারও প্রতিবারের তুলনায় একেবারেই নাজুক।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর কাশ্মির অশান্ত হয়ে ওঠে। শুক্রবার শিথিল করা হলেও রবিবার নতুন করে কারফিউ জারি করা হয়। এনডিটিভি জানিয়েছে, সোমবার ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে ছোট ছোট কিছু মসজিদে। রাজধানী শ্রীনগরসহ বড় বড় মসজিদগুলোতে ঈদের নামাজ পড়ার অনুমতি দেয়নি দেশটির সরকার। সরকারের তরফ থেকে অবশ্য মুসলিমদের ঈদের নমাজ আদায়ের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজ্যটির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতিসহ জ্যেষ্ঠ বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ, যারা গত সপ্তাহ থেকে গ্রেফতার রয়েছেন, তাদেরকে স্থানীয় মসজিদগুলোতে নামাজ আদায়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?