শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৯, ১২:৫৮:০৭

সাড়ে ৭ মাসে ইউরোপে ঢুকেছে ৪৫ হাজার অভিবাসী: জাতিসংঘ

সাড়ে ৭ মাসে ইউরোপে ঢুকেছে ৪৫ হাজার অভিবাসী: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অকূলপাথার সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের দিকে ঝুঁকছেই অভিবাসী ও শরণার্থীরা। তাতে অগণিত মানুষ সাগরে ডুবে মরছে। তারপরও বন্ধ হচ্ছে না ইউরোপ গমন। ২০১৯ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অর্থাৎ গত সাড়ে ৭ মাসে ৪৫ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসী ও শরণার্থী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে সাগরে ডুবে মারা গেছেন ৮৫৯ জন।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) স্থানীয় সময় গত শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, গেল বছরের চেয়ে এবার বছরের প্রথম সাড়ে ৭ মাসে অভিবাসীদের ইউরোপ পাড়ি দেয়ার সংখ্যা কিছুটা কমেছে। গেল বছর একই সময়ে প্রায় ৬৪ হাজার ৮৩৬ জন শরণার্থী ও অভিবাসী ইউরোপে প্রবেশ করেছিল। যাদের মধ্যে ভূমধ্যসাগরে ডুবে মারা গিয়েছিল ৫৫৮ জন।

ইউরোপে পাড়ি জমানো মোট অভিবাসী ও শরণার্থীদের অর্ধেকেরও বেশি আশ্রয় নিয়েছে গ্রিসে। মোট ৪৫ হাজারের মধ্যে এ বছর ২৩ হাজার ১৯৩ জন অবৈধ অভিবাসী ও শরণার্থী গ্রিসে এসেছেন।

আইওএম-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এ বছর পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় পথে ৫৭ জন ও পশ্চিম ভূমধ্যসাগরের পথে ২০৮ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। ২০১৮ সালে এ পথে মারা গিয়েছিলেন ৩২৪ জন।

২০১৯ সালে প্রথম সাড়ে ৭ মাসে প্রায় ৪ হাজার ৬৬৪ জন অভিবাসী ইতালি প্রবেশ করেছে। গেল বছর একই সময়ের মধ্যে প্রায় ১৯ হাজার ৪৯২ জন অভিবাসী ইতালিতে প্রবেশ করেছিল।

তুলনামূলকভাবে মোট অভিবাসীদের ৮৩ শতাংশই প্রবেশ করছে গ্রিস ও স্পেনে। গ্রিসে ২৩ হাজার ১৯৩ জনের পাশাপাশি এ বছর স্পেনে ১৪ হাজার ৬৮০ জন অবৈধ অভিবাসী ও শরণার্থী প্রবেশ করেছে।

তবে আগের বছরগুলোর তুলনায় ২০১৯ সালে মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় পথে অভিবাসী মৃত্যুর হার কমেছে। গেল বছর একই সময়ে ওই পথে ১ হাজার ১২৮ জন অভিবাসী মারা যান। যেখানে চলতি বছর মারা গেছেন ৫৯৪ জন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সময়কালে ইউরোপে পাড়ি জমাতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে ৩০ হাজারেরও বেশি অভিবাসী ও শরণার্থীর প্রাণহানি হয়েছে। গেল জানুয়ারিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছিল আইওএম।

আজকের প্রশ্ন

ঢাকার সিটি নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হলে জনগণের রায় প্রতিফলিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আপনিও কি তাই মনে করেন?