মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯, ১১:৪২:৩২

নিজেদের শক্তি সম্পর্কে জানান দিতে সামরিক মহড়া শুরু করল ভারত

নিজেদের শক্তি সম্পর্কে জানান দিতে সামরিক মহড়া শুরু করল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পরমাণু শক্তিধর ভারত নিজেদের প্রতিবেশি অন্য দুই পরমাণু শক্তিধর দেশ চীন ও পাকিস্তানকে নিজেদের শক্তি সম্পর্কে জানান দিতে রাজস্থানের মরুভূমিতে ‘নেক্সট জোন’ সামরিক মহড়া শুরু করেছে।

মহড়ায় প্রায় ৪০ হাজার সেনা অংশ নিয়েছে। মহড়ায় একাধিক শক্তিশালী যুদ্ধবিমান, বিভিন্ন কমব‌্যাট ফোর্স, চপার, কামান, ট‌্যাঙ্ক, লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করে বোমা নিক্ষেপ, রকেট ছোড়া সবই করা হয়েছে।

সামরিক মহড়াটির নাম দেয়া হয়েছে ‘সিন্ধু সুদর্শন’। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘সুদর্শন চক্র কর্পস’ মূলত এই মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। পাঁচ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই মহড়া চলবে। পুরো প্রক্রিয়াটি পর্যালোচনা করবেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাদার্ন কমান্ডের বর্তমান জিওসি-ইন-সি, লেফটেন‌্যান্ট জেনারেল এস কে সাইনি। অনেকে তাঁকে সম্ভাব‌্য পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসাবে মনে করছেন।

বিএম-২১ গ্রাদ। সোভিয়েত রাশিয়ায় তৈরি ট্রাকবাহিত ১২২ এমএম মাল্টিপল রকেট লঞ্চার ব‌্যবহার করে মাত্র ২০ সেকেন্ডে পরপর ৪০টি রকেট ছোঁড়ে ভারতীয় সেনা। একসঙ্গে বা আলাদাভাবেও রকেটগুলি নিক্ষেপ করা যায়। ভবিষ‌্যতে যুদ্ধ হলে বিভিন্ন বাহিনী কীভাবে সংহত হয়ে লড়াই করবে, তারই অভ‌্যাস শুরু হয়েছে পোখরানে।

এই মহড়ায় স্থলসেনার ২১ স্ট্রাইক কোরের (সুদর্শন শক্তি) প্রয়োগ করা হয়েছে। পোখরানের ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জের ১২২ মিটারের মধ্যে এই মহড়ায় অংশ নিয়েছে বোফর্স কামান, চপার, মাল্টি ব্যারেল রকেট-লঞ্চার। বায়ুসেনার জাগুয়ার ও মিগ-২১ ফাইটার জেট, আইএল ৭৮, হারকিউলিস, এএন-৩২ বিমানও অংশগ্রহণ করে অপারেশন ‘সিন্ধু সুদর্শন’-এ।

সম্প্রতি পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার পর বদলা নেওয়ার প্রবল দাবির মধ্যেই পোখরানের আকাশে ওড়ে দেশের একাধিক শক্তিশালী যুদ্ধবিমান। লেজার প্রযুক্তির সাহায্যে বোমা নিক্ষেপ, রকেট লঞ্চারের ব্যবহার করা হয় সেই মহড়ায়। মিগ-২১, মিগ-২৭, মিগ-২৯, মিরাজ ২০০০-সহ ১৪০টি ফাইটার জেট, বেশ কিছু হেলিকপ্টার শক্তি প্রদর্শন করে। জাগুয়ার, মিগ ২১ বাইসন, আইএল ৭৮, হারকিউলিস, এএন-৩২ বিমানও অংশ নিয়েছে সামরিক অনুশীলনে।

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?