বুধবার, ১৩ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৯:০৭:০৪

বাবরি মসজিদ মামলার রায় আজ, অযোধ্যায় থমথমে পরিস্থিতি

বাবরি মসজিদ মামলার রায় আজ, অযোধ্যায় থমথমে পরিস্থিতি

নিউজ ডেস্ক: ভারতের বাবরি মসজিদ-রাম জন্মভূমি নিয়ে করা ঐতিহাসিক অযোধ্যা মামলার রায় দেওয়া হবে আজ শনিবার। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে দশটায় মামলার রায় দেবেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বে গড়া পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে এ কথা জানানো হয়েছে। টানা ৪০ দিনের শুনানি শেষে গত ১৬ অক্টোবর আদালত এই মামলার রায় অপেক্ষমাণ রাখেন।
এই রায়ের পর বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সে জন্য ভারতের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জারি করা হয়েছে সতর্কতা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন। অন্যদিকে দেশটির প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উত্তর প্রদেশ রাজ্যের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
দেশটির প্রধান বিচারপতি গগৈ ১৭ নভেম্বর অবসর নিচ্ছেন। এর আগেই এই মামলার রায় দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছিল। তখন বলা হচ্ছিল, আগামী দুই থেকে চার দিনের মধ্যে এই বহুল আলোচিত মামলার রায় দেওয়া হতে পারে।
এদিকে অযোধ্যা মামলা নিয়ে যাতে কোনো গুজব ছড়ানো না হয়, সেদিকে নজর রাখতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেস দলের বৈঠকের পর বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় যা-ই হোক না কেন, এতে যেন দেশের শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট না হয়। তিনি সবাইকে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন।
রায় ঘোষণার আগ দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের সব রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে। উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা শহর এখন নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর থেকে অযোধ্যা শহরে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। ১০ নভেম্বর থেকে এই শহরে জারি হচ্ছে কারফিউ। এই সান্ধ্য আইন অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণার পর চার দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। অযোধ্যার নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে ৪০ কোম্পানি আধা সেনা। উত্তর প্রদেশের ধর্মীয় জায়গাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?