মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০, ০৯:৩৯:৫৭

বিক্ষোভ দমাতে সেনাবাহিনী নামানো হতে পারে দিল্লিতে

বিক্ষোভ দমাতে সেনাবাহিনী নামানো হতে পারে দিল্লিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিক্ষোভ দমাতে সেনাবাহিনী নামানো হতে পারে দিল্লিতে। মূখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল আজ মঙ্গলবার এক বৈঠকে এমন ঘোষণা দিয়ে বলেন, শহরে শান্তি ফেরাতে সব রাজনৈতিক দল একজোট হয়ে কাজ করবে। প্রয়োজনে সেনাও নামানো হতে পারে।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরোধিতায় বিক্ষোভ-সংঘর্ষে এখন রণক্ষেত্র দিল্লি। সংঘর্ষে এ পর্যন্ত প্রাণ গেছে সাতজনের।

মঙ্গলবার অরবিন্দ কেজরিওয়াল, লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজল এবং দিল্লির পুলিশ কমিশনার অমূল্য পট্টনায়ককে নিয়ে বৈঠতে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমকে সেনা নামানোর বিষয়ে জানান কেজরিওয়াল।

এসময় তিনি বলেন, সবাই চান হিংসা বন্ধ হোক। সে জন্যই আজ বৈঠক ডেকেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শহরে শান্তি ফেরাতে সব রাজনৈতিক দল একজোট হয়ে কাজ করবে। প্রয়োজনে সেনাও নামানো হতে পারে।

এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা মনোজ তিওয়ারি, রামবীর সিংহ বিধুরী এবং কংগ্রেসের সুভাষ চোপড়াও।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) বিরোধী এবং সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘিরে গত তিনদিন ধরে অশান্ত জাফরাবাদ-সহ উত্তর-পূর্ব দিল্লির একাধিক জায়গা। সোমবার সংঘর্ষে সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন শতাধিক।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরের সময় এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। সোমবার রাতে এ নিয়ে দিল্লি পুলিশের শীর্ষ আধিকারিদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত শাহ।

মঙ্গলবার সকালে কেজরিওয়াল জানান, সিনিয়রদের নির্দেশ না মেলায় সময় মতো পদক্ষেপ নিতে পারেননি পুলিশকর্মীরা। কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হবে নাকি লাঠিচার্জ করা হবে, সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠতে পারেননি তারা। বিষয়টি অমিত শাহকে জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

বহিরাগতরা দিল্লিতে ঢুকে পড়ায় পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলেও দাবি করে তিনি বলেন, অন্য দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে জানতে পেরেছি, বাইরে থেকেও অনেকে দিল্লিতে এসে ঢুকেছেন। তাতেই পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। এর থেকে বেরিয়ে আসতে গেলে দিল্লির সীমান্ত কিছু দিন বন্ধ রাখতে হবে।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?