বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৭, ০১:২৬:৪০

নানা রোগের মহৌষধ গুঁড়

নানা রোগের মহৌষধ গুঁড়

স্বাস্থ্য ডেস্ক : আমরা সকলেই প্রায় গুঁড় খাই বছরের শীতের সময়। যদিও, গুঁড় কিনে রেখে দিলেও মাসের পর মাস ভাল থাকে। আমাদের ধারণা, গুঁড় দিয়ে পিঠে, পুলি, পায়েস আর নাড়ু তৈরি করা যায়। তাই বছরের বাকি সময় গুঁড় নিয়ে আমাদের তেমন মাথাব্যাথা থাকে না। প্রতিদিন সামান্য পরিমাণ হলেও আমাদের গুঁড় খাওয়া উচিৎ। কারণ, গুঁড় নানান রোগের ঔষধ হিসেবে কাজ করে। আসুন জেনে নেওয়া যাক, কি কি রোগের ঔষধ হিসেবে গুঁড় কে কাজে লাগানো যায়-

 

১। রক্ত পরিষ্কার করে- নিয়মিত গুড় খেলে রক্ত পরিষ্কার হয় এবং শরীর সুস্থ থাকে। গুড় যেহেতু সরাসরি আখের রস বা খেজুরের রস থেকে সরাসরি তৈরি করা হয়, তাই এটি শরীরের কোনও ক্ষতি করে না। অপরদিকে শরীরের যত্নে দারুন উপকারি ভূমিকা পালন করে।

 

২। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে- গুড়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এছাড়াও থাকে জিঙ্ক এবং সেলেনিয়াম। এর ফলে, গুড় শরীরকে বিভিন্ন জীবাণু এবং সংক্রমক রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। এছাড়াও, গুড় রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

 

৩। রক্ত সল্পতা দূর করে- গুঁড়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আইরন এবং ফোলেট থাকে, যা রক্তের মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ সঠিক রাখতে সাহায্য করে। গুঁড় সব থেকে বেশি উপকার করে গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে। তাই গুঁড় খাওয়া নারীদের জন্য খুবই উপকারি এবং স্বাস্থ্যকর।

 

৪। জ্বর, সর্দি-কাশির হাত থেকে রক্ষা করে- বর্ষাকালে ঠাণ্ডা লেগে সর্দি, কাশি, জ্বর হতেই থাকে। এই ধরণের সমস্যাকে দূর করতে গুঁড়ের জুড়ি মেলা ভার। গরম জলের সঙ্গে গুঁড় মিশিয়ে পান করলে এই ধরণের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

 

৫। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে- গুঁড়ের মিষ্টিতে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। অপরদিকে এই সমস্যা থাকলে তা দূর করতে সাহায্য করবে গুঁড়। এর কারণ গুঁড় শরীরে হজম করার জন্য দায়ি উৎসেচকের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে। ফলে পেট খুব তাড়াতাড়ি পরিষ্কার হয়ে যায়।

 

৬। ওজন কমাতে সাহায্য করে- গুঁড় শরীরের অতিরক্ত টক্সিন বের করার পাশাপাশি মেদ গলাতেও সাহায্য করে। ফলে, রোজ গুঁড় খেলে শরীর ঝরঝরে থাকে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমানে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নাগালের বাইরে চলে গেছে। আপনি কি একমত?