মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ০৩:১৯:৫৯

সস্তায় যৌনতার কারণে বিয়ের প্রতি আগ্রহ কমছে

সস্তায় যৌনতার কারণে বিয়ের প্রতি আগ্রহ কমছে

অনলাইন ডেস্ক: যুগ বদলের সঙ্গে সঙ্গে সময় দৌড়াচ্ছে বিরামহীনভাবে। দৌড়াচ্ছে যৌন জীবনও।

শারীরিক মিলন এখন বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। বরাবরই যেত। কিন্তু ইদানিং সস্তায় বাজিমাতের লোভ সামলাতে পারে না অনেকে। রোজকার ইঁদুর দৌড়ের মাঝে খনিকের আনন্দ পেতে এখন মানুষের ঠিকানা “চিপ সেক্স”। আর ঠিক এই কারণেই কমে যাচ্ছে বিয়ের প্রবণতা।

আমেরিকায় এই “চিপ সেক্স” বেড়েছে আশ্চর্যরকম বেশি। সমাজবিজ্ঞানী মার্ক রেগনার্সের মতে, ২০০০ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে সেদেশে বিয়ের হার কমেছে প্রায় ১৩ শতাংশ৷ আর এই পুরোটাই হয়েছে ২৫ থেকে ৩৪ বছরের ব্যক্তিদের মধ্যে৷

তার মতে “চিপ সেক্স” একটি অর্থনৈতিক শব্দ৷ সাদা বাংলায় যাকে বলে কম খরচে সময় বা অনুভূতির পিছনে বিনিয়োগ করা। তিনি ও অ্যান্টনি গিডনেস একটি বই লিখেছেন৷ নাম “চিপ সেক্স: দ্য ট্রান্সফর্মেশন অফ মেন, ম্যারেজ অ্যান্ড মোরোগ্র্যামি”। সেখানে তারা বলেছেন, “দুটি মার্কেট একে অপরের উপর চেপে বসেছে। একটি বিয়ে, অন্যটি যৌনতা।”

আগেকার দিনে বিয়ের আগে পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্কের দিকে যেত না মেয়েরা। কিন্তু এখন অত্যধিক স্বাধীনতা ও পর্নোগ্রাফির জামানায় যৌনতা যে কোনও সময় খুব সহজেই পাওয়া যায়। এই কারণে ছেলেরা বিয়ের দিকে ততটা উত্সাহিত থাকে না। রেগনারের মতে, ২০ জনের ছেলের মধ্যে গড়ে ৩ জনই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চায় না। এর জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ি “চিপ সেক্স”। এছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার খামতি ও চাকরির হার কমে যাওয়ার পিছনেও “চিপ সেক্স”-ই কারণ বলে মনে করেন তিনি। তার মতে, এখন ছেলেরা সেক্স পাওয়ার জন্য শিক্ষার ক্ষেত্রে পরিশ্রম করে না বা ক্যারিয়ারে ফোকাস করে না। যৌনতা এখন স্বাধীন ও সহজ। এটাই আজকাল ছেলেদের মাদক।

মহিলাদের কাছে মনে হয়, ছেলেরা কমিটমেন্টে যেতে পারে না। প্রতিশ্রুতি দিতে তারা ভয় পায়। কিন্তু সাধারণত ছেলেরা কমিটমেন্টে ভয় পায় না। আসলে বিয়ের বাজারে এখনও ছেলেরা চালকের আসনে বসে আছে। তারা তাদের স্বার্থ ও পছন্দগুলোকে গুরুত্ব দেয়। আর তার দিকেই তারা যাত্রা করে। সেই কারণে বিয়ে অধিকাংশ সময়ই সুখের হয় না।

এমনকী তিনি এই প্রসঙ্গে ফিফটি শেডস অফ গ্রে সিনেমার কথাও উল্লেখ করেছেন। বলেছেন, “এটি ফিকশন। এটি তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু যদি ২ বছরে এর ১০০ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়, তাহলে বুঝতে হবে নিশ্চয়ই এর মধ্যে কিছু আছে।”



আজকের প্রশ্ন

কিছু সহিংসতা ও অনিয়ম হলেও সামগ্রিকভাবে ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে—সিইসির এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?