সোমবার, ২৫ মার্চ ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ১১ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৮:৪৩:০৬

রয়টার্সের দুই সাংবাদিকের আপিল আবেদন খারিজ

রয়টার্সের দুই সাংবাদিকের আপিল আবেদন খারিজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গোপন নথি ফাঁসের অভিযোগে কারাদণ্ড প্রাপ্ত রয়টার্সের দুই সাংবাদিকের আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছে দেশটির উচ্চ আদালত।  আজ শুক্রবারের রায়ে বিচারক অং নাইং এ আদেশ দিয়েছেন। এর ফলে তাদের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতের দেওয়া সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশ বহাল থাকল।
শুনানি শেষে বিচারক অং নাইং বলেন, আসামিরা নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট তথ্য উপস্থাপন করতে পারেননি তাই তাদের আপিল খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আসামিদের ফাঁদে ফেলে গ্রেফতার করার যে অভিযোগ সে বিষয়েও আদালত নিশ্চিত হতে পারেনি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল আবেদন করার সুযোগ থাকছে দণ্ডপ্রাপ্ত ওই সাংবাদিকদের।
রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের দায়ে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনের জেলা জজ আদালত গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বরে দুই সাংবাদিক কো ওয়া লোন (৩২) এবং কিয়াও সোয়েকে (২৮) দোষীসাব্যস্ত করে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়।
তখন ওই রায়ের ফলে গোটা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে। মানবাধিকার ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন এর বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ব্রিটেনসহ বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ রয়টার্স সাংবাদিকদের মুক্তি দেওয়ার জন্য এরইমধ্যে আহ্বান জানান।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর দুই পুলিশ কর্মকর্তা ওই দুই সাংবাদিককে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে তাদের হাতে কিছু কাগজপত্র তুলে দেওয়া হয়। রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ গঠন করে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, বিদেশি গণমাধ্যমকে সরবরাহ করতে এসব তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে দুই সাংবাদিকের আইনজীবী বলেছেন, পুলিশই তাদের ফাঁসিয়েছে। কারণ, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিষয়টি প্রকাশ করায় কর্মকর্তারা তাদের শাস্তি দিতে চাইছেন।
মিয়ানমারের রাখাইনে গণহত্যার একটি ঘটনা অনুসন্ধান করেছিলেন রয়টার্সের দুই সাংবাদিক। পরে তাদের আটক করে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়। রয়টার্স দাবি করে, রাখাইনে দশ রোহিঙ্গাকে হত্যার বিষয়টি উদ্ঘাটন করেন এই দুই সাংবাদিক। সে জন্যই তাদের আশা ছিল যে দুই সাংবাদিকের তৎপরতা জনস্বার্থ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?