মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯, ০৭:৪৬:৫৪

সেকান্দারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি একুশে টিভির সাংবাদিকদের

সেকান্দারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি একুশে টিভির সাংবাদিকদের

ঢাকা: সহকর্মীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেফতার একুশে টিভির চিফ রিপোর্টার এম এম সেকান্দার এবং তার মদদাদাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে টেলিভিশন চ্যানেলটির কর্মীরা।

সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে একুশে পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে একুশে টিভির নিউজরুম এডিটর আফসানা নীলা বলেন, ‘আমাদের সহকর্মী নিয়ম অনুযায়ী হেড অব নিউজের কাছে অভিযোগ করেছিল। অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু নিউজরুমে যখন বিষয়গুলো সমাধান হয়নি, আমাদের সিইও মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলের কাছে জানানো হয়েছিল। তারপরও কোনও সুরাহা না হওয়ায়, আমরা এই পথে নেমেছি তখনই, যখন মামলা করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, এখন আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। আমরা একটি কর্মক্ষেত্রে সুষ্ঠু পরিবেশ চাই। আমরা চাই না একুশে টেলিভিশনের এতদিনের সুনাম নষ্ট হোক।’  

একুশে টিভির সাবেক কর্মী সুমন শামস বলেন, ‘আমরা জানি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন। আমরা চাই তিনি যেন দেশের মিডিয়া হাউজের এই সমস্যার দিকে নজর রাখেন। একুশ শব্দের যে অর্থ, তাকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে  বিচার দিতে চাই, তিনি যেন প্রত্যকটি টিভি চ্যানেল, অনলাইন, পত্রিকায় মনিটরিং এর ব্যবস্থা রাখেন। যেই ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে, এই নাম আমরা আগেও শুনে এসেছি। এই মানুষগুলোর দ্রুত বিচার হওয়া দরকার, তা নাহলে গণমাধ্যম কর্মীরা যখন রাস্তায় এসে কথা বলে, তখন সাধারণ মানুষের থেকে আমাদের পার্থক্য কতটুকু তা বুঝে যায়।’

একুশে টিভির ওপর এক কর্মী বলেন, ‘আপনারা কয়েকদিন আগে একুশের টিভির স্ক্রলে দেখেছেন যে, ইলিয়াস নামের এক সাংবাদিক একুশে টিভি এবং তার ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিদেশ থেকে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তখনও কিন্তু আমরা জানতাম না, এই স্ক্রলের মানে টা কি। পরে আমরা জানতে পারলাম যে এটা অনেকটা - ‘ঠাকুর ঘরে কে, আমি কলা খাই না’ এরকম ব্যাপার হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘বনানীর রেইন ট্রি হোটেলে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত নায়েম আশরাফের সঙ্গে একুশে টেলিভিশনের কোনো সম্পর্ক নেই এই মর্মেও একটি স্ক্রল দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে আপনারা দেখেছেন, সেকান্দারের কাছের লোকের সঙ্গে কিরকম সম্পর্ক ছিল। আপনারা সোচ্চার হন, এরকম ঘটনা যেন আর না হয়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানাবো , অভিযোগের পর পরই তারা গ্রেফতার করেছেন। আমরা এই ঘটনায় জড়িত সবার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচারের দাবি করছি।’

মানবন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন, উইমেন নিউজের সম্পাদক আইরিন নিয়াজী মান্নান, ঢাকার নিউজ টোয়েন্টিফোর এর বিশেষ প্রতিনিধি রওশন ঝুনু, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সাংবাদিক রোকসানা ইয়াসমিন তিথী, হ্যাশ ট্যাগ মিটু আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মী সাজেদা হক, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী রফিক।

এতে উপস্থিত ছিলেন, ইটিভির নিউজরুম এডিটর মাসুমা লিসা, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর মুশফিকা নাজনীন, রিপোর্টার জুবায়ের, প্রণব চক্রবর্তী, জসিম জুয়েল, মিনালা দিবা, স্মৃতি মণ্ডলসহ নিউজ এবং প্রোগ্রাম বিভাগের কর্মচারীরা।

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?