বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯, ১১:৫৩:১৮

সাংবাদিক শাহ আলমগীর মারা গেছেন

সাংবাদিক শাহ আলমগীর মারা গেছেন

ঢাকা: সিনিয়র সাংবাদিক ও প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক  মো. শাহ আলমগীর মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহ…রাজেউন)।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

পারিবারিক সূত্রে এ খবর জানা গেছে। তার মরদেহ প্রথমে রাজধানীর উত্তরায় তার বাসভবনে নেয়া হবে। সেখান থেকে প্রেসক্লাব ও তার কর্মস্থল পিআইবিতে নেয়া হবে।

রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়া ও ডায়াবেটিসসহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন শাহ আলমগীর। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরে লাইফসাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাকে।

শাহ আলমগীর ২০১৩ সালের ৭ জুলাই পিআইবির মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। সরকার ২০১৮ সালের জুলাই মাসে তার চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ায়।

শাহ আলমগীরের সাংবাদিকতা পেশার শুরু ছাত্রজীবন থেকেই। উপমহাদেশের প্রথম শিশু-কিশোর সাপ্তাহিক ‘কিশোর বাংলা’ পত্রিকায় যোগদানের মাধ্যমে তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন। সেখানে তিনি সহ-সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত।

এরপর তিনি কাজ করেন দৈনিক জনতা, বাংলার বাণী, আজাদ ও সংবাদ-এ। প্রথম আলো প্রকাশের সময় থেকেই তিনি পত্রিকাটির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং ১৯৯৮ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত যুগ্ম বার্তা-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি চ্যানেল আইয়ের প্রধান বার্তা সম্পাদক, একুশে টেলিভিশনে হেড অব নিউজ, যমুনা টেলিভিশনে পরিচালক (বার্তা) এবং মাছরাঙা টেলিভিশনে বার্তা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শাহ আলমগীর ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

শাহ আলমগীরের পৈতৃক বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে হলেও বাবার চাকরি সূত্রে জীবনের বড় একটি সময় বৃহত্তর ময়মনসিংহে কাটে তাঁর। ময়মনসিংহের গৌরীপুর কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাংলা সাহিত্যে অনার্স ও মাস্টার্স করেন।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?