সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৯, ০৪:৩৩:১৪

মোহনা টেলিভিশনের জয়েন্ট নিউজ এডিটরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

মোহনা টেলিভিশনের জয়েন্ট নিউজ এডিটরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট: মোহনা টেলিভিশনের জয়েন্ট নিউজ এডিটর শহিদুল আলম ইমরানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সাংবাদিক ফারহানা নীলাসহ আরও কয়েকজন। কর্মস্থলে নারী সাংবাদিকদের এই অবমাননায় শহীদুল আলম ইমরানের বিচার চান নারী সাংবাদিকরা।

মঙ্গলবার (২৬ ন‌ভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ইমরানের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করে নারী সাংবাদিক কেন্দ্র। এ সময় আরও উপস্থিত  ছিলেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা।

এতে অংশ নিয়ে সংগঠনের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু বলেন, ‘কর্মস্থলে নারীদের সাথে এমন যৌন হয়রানি মেনে নেয়া যায় না। অবিলম্বে শহীদুল আলম ইমরানের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।’

এর আগে সোমবার (২৫ ন‌ভেম্বর) #metoo ট্যাগ ব্যবহার করে যৌন হয়রানির অভিযোগ করে একটি পোস্ট দেন সাংবাদিক ফারহানা নীলা। তিনি লেখেন, ‘মোহনা টেলিভিশনে সাংবাদিক হিসেবে ২০১০ সাল থেকে কাজ করে আসছেন। ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ থেকে জয়েন্ট নিউজ এডিটর হিসেবে পদোন্নতি পান শহীদুল আলম ইমরান। সে কোন নারীকে ৫০০ টাকার বিনিময়ে কিনতে চান। আবার কোন নারীকে শীর্ষ পদে বসানোর প্রলোভন দেখিয়ে ঘুরতে নিয়ে যেতে চান।’

তিনি অভিযোগ করে লিখেন ‘পরিস্থিতি সামলাতে অফিসের বিভিন্ন বিভাগ থেকে সবাই মিলে লিখিত অভিযোগ দেয়া হলে, প্রাথমিকভাবে তাকে সতর্ক নোটিশ প্রদান করা হয়। কিন্তু তারপরেও সে প্রায়ই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, বিভিন্নভাবে নারীদের অপমান করে থাকে। মান সম্মান ও চাকরি হারানোর ভয়ে চুপ থাকতো সবাই। গত ২৭ অক্টোবর ২০১৯ এ, শহীদুল আলম ইমরানের বিরুদ্ধে লিখিত দেয় ২ নারী প্রেজেন্টার। এতে চাকুরিচ্যুত হয় ওই দুই নারী।’

সাংবাদিক ফারহানা নীলা জানান, ‘একদিন তিনি নিউজের স্ক্রিপ্ট দেখাতে গেলে, তার বিনিময়ে, প্রেম আর মন বদলের কু-প্রস্তাব দেয় এই শহীদুল আলম ইমরান। একদিন তার রুমে ডেকে ফুল নিবেদন করতে চায়। প্রমাণ ছাড়া কিছু হয়না ভেবে, কৌশলে সেইসব রেকর্ড করে রাখেন নীলা।

শুধু তাই নয়, অকাথ্য ভাষায় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়েও কটুক্তি করা তার নিত্য রুটিন।’

 

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?