মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০১ আগস্ট, ২০১৯, ১০:৫৪:৫৯

প্রেমিকার বাবাকে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি পাঠিয়ে প্রতিশোধ প্রেমিকের!

প্রেমিকার বাবাকে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি পাঠিয়ে প্রতিশোধ প্রেমিকের!

ঢাকা : দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কে ইতি টানেন প্রেমিকা। কিন্তু দুজনের প্রেম চলাকালীন অবস্থায় শারীরিক সম্পর্ক পর্যন্ত গড়িয়েছিল তাদের ঘনিষ্ঠতা। প্রেমিক বিয়ের কথা বলতেই বেঁকে বসে প্রেমিকা।

এই অপমান সইতে না পেরে যুবক যা করল তাতে সবাই অবাক। প্রেমিক রাগে-ক্ষোভে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি। এছাড়াও প্রেমিকার বাবাকেও সেই ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি পাঠায় ওই যুবক!

ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, অভিযুক্তের বাড়ি হুগলির রিষড়ায়, সাবেক প্রেমিকা থাকেন বিধাননগর কমিশনারেট এলাকায়।

এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম থানা। এর পর আদালত নির্দেশ দেয় ১৪ দিন জেল হাজতে রাখার।

জানা যায়, ২০১১ সাল থেকে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বেশ কয়েকবার প্রেমিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠও হয়েছিল মোহিত শর্মা নামের ওই প্রেমিক যুবক।

এদিকে তরুণীর পরিবার দাবি করেছে, সম্প্রতি তাদের দুজনের সম্পর্ক ভেঙে গেছে। আর এরপরই প্রেমিকার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি মোহিত সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করে দেয় বলে ভূক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ। এখানেই শেষ নয়, এমন কি হোয়াটসঅ্যাপ করে সেই ছবি পাঠানো হয় ওই তরুণীর বাবাকেও! তারপর বাধ্য হয়েই পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই তরুণীর পরিবারের লোকেরা।

বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম থানায় মোহিত শর্মার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর গত সোমবার রাতে হুগলির রিষড়া থেকে অভিযুক্ত মোহিত শর্মাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, দেখা হওয়ার অল্প কয়েকদিনের মধ্যে ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় মোহিত। রাজিও হয়ে যান তিনি। গত কয়েক বছর ধরে অবাধে শারীরিক মেলামেশা করেছেন তারা দুজন। কিন্তু মোহিতকে বিয়ে করতে রাজি ছিলেন না ওই তরুণী। এ কারণে বিয়ের কথা উঠতেই সম্পর্কে ইতি টানেন ওই তরুণী। আর প্রেমিকার প্রত্যাখ্যান মেনে নিতে পারেনি প্রেমিক মোহিত। প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ওই তরুণীর বাবার কাছে মেয়ের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি পাঠিয়ে দেয়।

তবে কেন বিয়েতে রাজি হয়নি এই নিয়ে মুখ বন্ধ রেখেছে তরুণীর পরিবার।

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?