শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৯, ০৯:০৮:১০

এক রাতে আপন দুই ভাইয়ের বউ উধাও!

এক রাতে আপন দুই ভাইয়ের বউ উধাও!

ঢাকা: রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সরিষা ইউপির বিল জালিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাসের দুই পুত্রবধূ একই রাতে স্বামীদের টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে উধাও হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় ওই পুত্রবধূদের শ্বশুর আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাস বাদী হয়ে পাংশা থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।

জানা যায়, কামরুল বিশ্বাস উপজেলার কুলটিয়া এলাকায় ৩ বছর আগে বিয়ে করেন। তাদের ঘরে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। অপরদিকে ভালোবেসে নাজমুল পাশের বৃত্তিডাঙ্গা গ্রামে বিয়ে করেন। নাজমুল বেশ কয়েক বছর বিদেশ থেকে সম্প্রতি ৪ মাস আগে দেশে ফিরেছেন।

অভিযোগ ও আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাসের দুই ছেলের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ২৫ জুলাই রাতে খাওয়া-দাওয়ার পর পৃথক ঘরে ২ ছেলে তাদের স্ত্রীদের নিয়ে শুয়েছিল। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ছেলে নাজমুল ঘুম থেকে হঠাৎ জেগে উঠে দেখেন পাশে তার স্ত্রী নেই। পরে সে তার বড় ভাই কামরুল বিশ্বাসের ঘরে গিয়ে দেখেন দরজা খোলা। ভাইয়ের ঘরে নেই তার ভাবি ও একমাত্র ভাতিজা ইয়াছিন (১৯ মাস)। এ ঘটনার পর রাতেই বিভিন্ন স্থানে খোঁজ খবর নিলেও তাদের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। কি কারণে তারা বাড়ি থেকে চলে গেছে এর কোন সঠিক জবাব মেলেনি।

এদিকে মাত্র কয়েকদিন আগে আশা এনজিও থেকে কিস্তিতে নেওয়া ৮০ হাজার টাকা ও ফার্মের মুরগি বিক্রির ২ লক্ষ ২০ হাজার নগদ টাকা ও প্রায় ৭ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আপন ২ ভাইয়ের বউ বাড়ি থেকে এক সাথে উধাও হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

নাজমুল বিশ্বাস জানান, মাঝেমধ্যে আমার স্ত্রী স্বপ্নার মোবাইল খোলা পাওয়া যাচ্ছে। তবে দীর্ঘ সময় ব্যস্ত থাকছে, আবার বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এটা আমাদের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হচ্ছে। অপরদিকে আমার শ্বশুরবাড়ির (স্বপ্না) পরিবার থেকে নানাভাবে আমাদেরকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে যে কোন মূল্যে তাদের বের করে আনার জন্য।

এদিকে বাড়ির একমাত্র শিশু ছেলেকে না দেখতে পেয়ে শিশু ইয়াছিনের পিতা কামরুল বিশ্বাস হতাশ হয়ে পড়েছেন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (শনিবার, ২৭ জুলাই) ওই গৃহবধূদের কোন সন্ধান মেলেনি।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?