বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৫:০৩:১৭

শিশু কন্যা অন্তঃসত্ত্বার খবরে মায়ের মৃত্যু, আটক ১

শিশু কন্যা অন্তঃসত্ত্বার খবরে মায়ের মৃত্যু, আটক ১

ভোলার বোরহানউদ্দিনে ৫ শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে শুনে মা মারা গেছেন।এই ঘটনায় দুলাল নামের এক জনকে আটক করেছে পুলিশ।

ভিকটিম ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায, বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দ জনৈক ব্যক্তির মেয়ে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে লালমোহন থানা এলাকার দুলাল নামের এক ট্রাক চালক কর্তৃক ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

ভিকটিমের পরিবার অভিযোগ করে বলেন, তাদের ৫ম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েকে প্রতিবেশী ইয়ানুর বেগমের সহায়তায় একটি ঘরে আটকে রেখে দুলাল নামের ওই লম্পট দিনের পর পর দিন ধর্ষণ করেছে।ভিকটিমের পরিবার একাধিকবার চেয়ারম্যান ও স্থানীয় নেতাদের কাছে বিচার চাইলে তারা কোনো প্রকার প্রতিকার না করে উল্টো আমাদের চুপ থাকার জন্য ভয় দেখান। ভিকটিমের পরিবার ভয়ে চুপ থাকলেও তাদের শিশু মেয়ের শরীরের অবস্থা খারাপ হওয়ায় গত ২৭ নভেম্বর ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার পরীক্ষা করে বলেন ভিকটিম ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এমন খবর শুনে ভিকটিমের মা নাজমা বেগমের (৪০) হার্ট অ্যাটাক করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ২৮ নভেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

এদিকে দুলালকে বৃহস্পতিবার রাতে লালামোহন থানা পুলিশ গ্রেফতার করেন। পলাতক রয়েছেন ধর্ষণে সহায়তাকারী নারী ইয়ানুর।

এই ঘটনায় সহকারী পুলিশ সুপার (লালমোহন সার্কেল) মোঃ রাসেলুর রহমান বলেন, বোরহাউদ্দিন থানার ওসি মু. এনামুল হকের সাথে কথা হয়েছে, দ্রুত ধর্ষককে গ্রেফতারের জন্য বলেছি।

লালমোহন থানার ওসি মীর খায়রুল কবির জানান, ধর্ষকের সহযোগী মহিলা ইয়ানুর বেগম পালিয়ে গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে ধর্ষক দুলালকে লালমোহন থানা পুলিশ আটক করে। ধর্ষক দুলালের বাড়ি লালমোহনে হওয়ায় এখন লালমোহন থানার আওতায়া আছে। ঘটনাস্থল বোরহানউদ্দিন হওয়ায় আমরা ধর্ষককে বোরহাউদ্দিন থানায় হস্তান্তর করবো।

বোরহাউদ্দিন থানার ওসি মু. এনামুল হক বলেন, ধর্ষক দুলাল এখন থানা হেফাজতে রয়েছে। ধর্ষকের সহযোগী ইয়ানুর বেগমকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

ঢাকার সিটি নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হলে জনগণের রায় প্রতিফলিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আপনিও কি তাই মনে করেন?