শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮, ০৮:২০:১৫

বিএনপি আরো শক্তিশালী হয়েছে ও আগের চেয়ে আরো বেশী ঐক্যবদ্ধ হয়েছে : মওদুদ

বিএনপি আরো শক্তিশালী হয়েছে ও আগের চেয়ে আরো বেশী ঐক্যবদ্ধ হয়েছে : মওদুদ

ঢাকা: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায় হাইকোর্টে নিলে সেই 'রায়' টিকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, রায় হাইকোর্টে টিকবে না। টিকতে পারে না। কারণ স্বাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়া রায় দেয়া হয়েছে।

সোমবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত এক প্রতিবাদ আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
'বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় সাজা প্রতিহিংসার রাজনীতি' শীর্ষক এ সভায় মওদুদ আহমদ বলেন, গত তিন দিন খালেদা জিয়াকে ডিভিশন না দিয়ে রাখা হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ সংবিধান পরিপন্থি। এই সরকারের অধীনে আমি দুই বার জেলে গিয়েছি, যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমাকে ডিভিশন দেয়া হয়েছে। কারণ এটা নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা পেয়ে থাকেন। অথচ তারা আমাদের বললো আদালতের অনুমোদন ছাড়া দিতে পারবে না। কিন্তু আদালতের অনুমোদনের কোন প্রয়োজন ছিল না। এটা তারা করছে, প্রতিহিংসার কারণে। বেগম জিয়াকে কষ্ট দিতে হবে। কিন্তু বেগম জিয়াকে যত কষ্ট দিবেন আপনাদের (সরকার) ভোট ততই কমবে। প্রতিদিন বেগম জিয়া জেল থাকবেন, আর আপনাদের ১০ লাখ করে ভোট কমে যাবে- বলেন তিনি।

খালেদা জিয়ার সাজার বিষয়ে তিনি বলেন, এর পরিণতি ভবিষ্যতে আমাদের রাজনীতিতে এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করবে, তাতে করে বর্তমান সরকার একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজন করার জন্য বাধ্য হবেন।

মওদুদ বলেন, আওয়ামী লীগ কি গেম খেলছে, তা আমি জানি না। কে তাদের (সরকার) খালেদা জিয়াকে সাজা দিতে বলেছেন। খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠালেই বুঝি বিএনপি শেষ হয়ে যাবে! হবে না, বরং এর মধ্যে দিয়ে বিএনপি আরো শক্তিশালী হয়েছে ও আগের চেয়ে আরো বেশী ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি আন্দোলন চালিয় যাবে জানিয়ে মওদুদ বলেন, আমাদের নেত্রী যতক্ষণ পর্যন্ত মুক্ত না হন ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো। তাকে মুক্ত করে আমরা আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। কারণ বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া বাংলাদেশে কোন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। আজকে নির্বাচন হলে বেগম জিয়া আগামী দিনের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী- বলেও মন্তব্য করেন মওদুদ আহমদ।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবাই আমরা রায়ের কপি চেয়েছি। কারণ বিচারক বলেছেন, ৬৩২ পাতার রায় লিখেছেন। সংক্ষিপ্ত আকারে পড়েছেন। তার মানে রায় তো আগেই রেডি করা ছিল। সেটার কপি আমাদের দরকার। তা না হলে তো আমরা আপিল করতে পারবো না। কিন্তু তারা এটা দিতেও গরিমসি করছে।

গতকাল ও আজও আমরা রায়ের কপি পাইনি জানিয়ে তিনি বলেন, একদিন দেরি হলে বেগম জিয়া কষ্ট পাবেন। এটাই সরকারের মনের ইচ্ছে বলে মনে হয়। রায়ের কপি পাওয়ার এক থেকে দুই দিনের মধ্যে আমরা জামিনের জন্য আপিল করবো।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমানে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নাগালের বাইরে চলে গেছে। আপনি কি একমত?