বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৮, ০৬:৪০:২৫

‘বন্দি মুক্তি’ আন্দোলনে যাবে বিএনপি: নোমান

 ‘বন্দি মুক্তি’ আন্দোলনে যাবে বিএনপি: নোমান

ঢাকা: খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে বিএনপি ‘বন্দি মুক্তি’ আন্দোলনে যাবে বলে জানিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান।

সোমবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম আয়োজিত এক যুব সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

‘বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজের ৬ বছর অতিবাহিত হওয়ার প্রতিবাদ ও সন্ধানের দাবি’ শীর্ষক এ সমাবেশে নোমান আরও বলেন, ‘দেশে একটি নির্বাচন হবে। আর সেই নির্বাচনে আমরা (বিএনপি) অংশগ্রহণ করবো। এবং সেই নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও কারাবন্দি আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে আমরা মুক্ত করবো। প্রয়োজনে ‘বন্দি মুক্তি’ আন্দোলন করবো। আমরা সহজে নির্বাচন বয়কট করতে চাই না।’

আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘সংবিধান সংশোধনের ফলে নির্বাচন অর্থবহ হবে না। তাই এটা (নিরপেক্ষ নির্বাচন) আমাদের আদায় করে নিতে হবে। একারণে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আবারও সংশোধন করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে গিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে বা দেশের সকল রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হবে। এটাই আমরা চাই।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা (বিএনপি) সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানাচ্ছি। একই সাথে আসন্ন গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও আমরা সেনাবাহিনী মোতায়েন চাই। এটা আজ জাতির দাবি।’

নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে আওয়ামী লীগ পরাজিত হবে- জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের এ বক্তব্য উল্লেখ করে নোমান বলেন, ‘একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত তিনি। আর এরশাদ আমাদের চেয়ে একটু ভালো জানবেন। কারণ কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলাদাভাবে মিটিং করেছেন। আর সেই মিটিংয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে এরশাদ উপলব্ধি করতে পেয়েছেন, শেখ হাসিনা অনেক দুর্বল হয়ে গেছেন। এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ক্ষমতার শেয়ার নিতে হবে। আর শেয়ারটা এবার যথোপযুক্তভাবে নেবেন বলে এরশাদ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।’

বিএনপিও কিছুটা বিপদে আছে মন্তব্য করে দলটির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘বর্তমান সরকারের নিপীড়নমূলক আচরণ ও নির্যাতনের কারণে আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আমরা আর পেছনে যেতে পারবো না। আমরা পেছনে গেলে আওয়ামী লীগ সামনের দিকে আসবে। আর আমরা সামনের দিকে আসলে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। আমরা সেই সাংঘর্ষিক পরিস্থিতিকে এড়িয়ে যেতে চাই। তাই আমরা বারবার আন্দোলন ও ভোটের কথা বলছি। কিন্তু আমাদের আন্দোলন ভোট থেকে বিচ্ছিন্ন নয়।’

আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী'র সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, সংগঠনের সভাপতি সাইদুর রহমান প্রমুখ।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?