মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০২:৪৭:১৭

১ অক্টোবর থেকে ‘রেডি’ হয়ে যান: নেতাকর্মীদের মওদুদ

১ অক্টোবর থেকে ‘রেডি’ হয়ে যান: নেতাকর্মীদের মওদুদ

ঢাকা : দলীয় নেতাকর্মীদের আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে রেডি হতে বললেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘এবার আর খালি মাঠে গোল দিতে দেব না। জনগণকে নিয়ে থাকবো, জনগণকে সাথে নিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে, আগামী নির্বাচনে অংশ নেব এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোটের মাধ্যমে সরকারকে অপসারণ করবো। কোনো ভায়োলেন্সের মাধ্যমে নয়। এই প্রেসক্লাবে এসব করে কাজ হবে না পহেলা অক্টোবর থেকে সবাই রেডি হয়ে যান।’

মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত যুবসমাবেশে তিনি একথা বলেন।
 
মওদুদ আহমেদ বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। কারণ এই স্বৈরাচারী সরকারকে অপসারণ করতে হলে সারা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, মাঠে নামতে হবে।’

আওয়ামী লীগ মিথ্যাচারে চ্যাম্পিয়ন দাবি করে মওদুদ বলেন, ‘আমরা কেউ তাদের সঙ্গে মিথ্যাচারে পারবো না। তারা অকথ্য মিথ্যাচার করে। তাদের মিথ্যাচারের কোনো শেষ নেই।’

কোনো ঘটনাই ঘটেনি তারপরও ভৌতিক মামলা, গায়েবি মামলা দেয়া হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘চমৎকার ভাবে বর্ণনা করা হয়। দেখতে মনে হয় যেন সত্যিই ঘটনা ঘটেছে। সারাদেশের সকল গ্রামে-গ্রামে ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সহায়তায় একশো-দেড়শো নাম দিয়ে বাকী অজ্ঞাত রেখে মামলা দেয়া হয়। ফ্যাসিস্ট দেশেই এটা সম্ভব, কোনো গণতান্ত্রিক দেশে এটা হতে পারে না।’

‘প্রথম দিকে ঐক্য প্রক্রিয়াকে সরকার স্বাগত জানিয়েছিল। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর গতকালের বক্তৃতায় স্বাগত জানিয়ে আবার তিনিই বলেছেন, এই ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা জড়িত তারা সবাই দুর্নীতিবাজ, সুদখোর, ঘুষখোর। এদের নিয়ে ঐক্য করা হয়েছে, এরা জনগণের জন্য কিছু করতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রীর কাছে থেকে এ ধরনের অশালীন বক্তব্য আমরা কখনও আশা করি না। প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যে প্রমাণিত হয়, সরকার আতঙ্কিত হয়েছে, বিচলিত হয়েছে।’

সরকারকে স্বৈরাচারী সরকার উল্লেখ করে মওদুদ বলেন, ‘তাদের আচার-আচরণ, চিন্তা-চেতনা, ধ্যান-ধারণা সেটা দেখলেই বুঝতে পারছেন। আর মাত্র তিন মাসও বাকি নাই, যেখানে খালেদা জিয়াসহ সকল মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া উচিত। একটা নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করা উচিত। যে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের ভোট দিয়ে পছন্দের সরকার নির্বাচিত করতে পারে। তা না করে সেখানে তারা হাজার হাজার মামলা দিচ্ছে।’

জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম ৭১ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত যুবসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি ঢালী আমিনুল ইসলাম রিপন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার, জিনাফের সভাপতি লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার, জাসাস নেত্রী শাহরিয়া ইসলাম শায়লা, শাহবাগ থানা কৃষক দলের সভাপতি এম জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?