রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০১৮, ০৭:২১:২৫

২৩ ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচন

২৩ ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচন

ঢাকা : আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে এক ভাষণে এ ঘোষণা দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

এর আগে, গত রোববার (৪ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কমিশন সভায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও সিইসি’র জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার তারিখ ঠিক করা হয়। ওই দিন কমিশন সভা শেষে সন্ধ্যা ৭টায় ইসি কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদত হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ওইদিন বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের মাধ্যমে সংসদ নির্বাচনের বিস্তারিত তফসিল ঘোষণা করবেন।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, ভাষণে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা ও মাঠ পর্যায়ে সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে ধারণা দিতে পারেন সিইসি নুরুল হুদা। ভাষণে সব নাগরিককে সহযোগিতার আহ্বান জানাবেন সিইসি। জনগণের হয়ে সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেশের গণতন্ত্রের ধারা এবং উন্নয়নের গতিকে সচল রাখার আহ্বানও জানাবেন তিনি।

কমিশনের একটি সূত্র বলছে, সিইসি তার ভাষণে নির্বাচনী আইন ও বিধি সংশোধন, সংসদীয় এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ পরবর্তী সংসদীয় আসনের তালিকা প্রকাশ, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, চূড়ান্ত হওয়া ভোটকেন্দ্র, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আবেদন নিষ্পত্তি, প্রথমবারের মত পোলিং এজন্টদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়াসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরতে পারেন।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০ ডিসেম্বর নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনায় রেখে সব ধরনের প্রস্তুতি রেখে ইসি। তবে আরেকটি সূত্র বলেছে, একাধিক তারিখ হাতে রাখছে নির্বাচন কমিশন। কোনো কারণে ২০ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব না হলে নির্বাচনের সম্ভাব্য পরবর্তী তারিখ হতে পারে ২৩ ডিসেম্বর।

এর আগের জাতীয় নির্বাচনগুলো পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, সাধারণত তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত ৪৫ দিন হাতে থাকে। সেক্ষেত্রে আজ তফসিল ঘোষণার পর ২০ ডিসেম্বর নির্বাচন হলে তা তফসিলের ৪২ দিন পর এবং ২৩ ডিসেম্বর হলে তা তফসিলের ঠিক ৪৫ দিন পর অনুষ্ঠিত হবে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?