শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১০:৩৮:০৯

নিজের আমানত না থাকলেও স্ত্রীর আছে ২০ লাখ

নিজের আমানত না থাকলেও স্ত্রীর আছে ২০ লাখ

ঢাকা : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী এবং বর্তমান সরকারের রেলপথমন্ত্রী কুমিল্লা-১১ আসনের মুজিবুল হকের সম্পদ বেড়েছে। তবে তাঁর কাছে নিজের নামে কোনো টাকা আমানত নেই। তাঁর স্ত্রী হনুফা আক্তারের কাছে নগদ টাকা, ব্যাংক, বিমা ও আমানত হিসেবে জমা টাকার পরিমাণ বেশি। তার স্ত্রীর নামে স্থায়ী আমানত হিসেবে রয়েছে ২০ লাখ ৭৪ হাজার ৫৮৮ টাকা।

এ ছাড়াও নিজ নামে না থাকলেও স্ত্রী হনুফার নামে ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার টাকার শেয়ারসহ ইন্সুরেন্স রয়েছে এবং নিজ নামে না থাকলেও স্ত্রীর নামে ব্যবসায় মূলধন হিসেবে ৭৪ লাখ ৫৪ হাজার ১২৩ টাকা রয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামা থেকে এ সব তথ্য জানা গেছে।

হলফনামা অনুযায়ী, ২০০৮ সালে মুজিবুল হকের কৃষিখাত থেকে বছরে ১০ হাজার টাকা, আয়কর আইনজীবী হিসেবে বছরে ৩ লাখ টাকা আয় করতেন। ২০১৩ সালে কৃষিখাত থেকে বছরে ১৫ হাজার ৮৪০ টাকা আয় করলেও পেশা থেকে কোনো আয় ছিল না। এবার কৃষিখাত থেকে ১৫ হাজার ৭৩০ টাকা আয় করছেন। সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে পরিতোষক ছাড়া ২০১৩ সাল থেকে কোনো আয় নেই মুজিবুল হকের।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে ৭ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি ছিল নিজ নামে, ৪৮ হাজার টাকা মূল্যের ৮ তোলা স্বর্ণ, ৫ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ২ হাজার ৫০০ টাকার আসবাবপত্র। ২০১৩ সালে গাড়ির মূল্য দেখানো হয়েছে ৭৭ লাখ ১ হাজার ১৯৫ টাকা, ৬ হাজার টাকা মূল্যের ৪ তোলা স্বর্ণ, ৬৯ হাজার টাকা মূল্যের আসবারপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী ছিল। বর্তমানে দুটি গাড়ি, যার একটির মূল্য ৭৭ লাখ ১ হাজার ১৯৫ টাকা ও অপরটির মূল্য ৭২ লাখ ৩২ হাজার ৭৫৩ টাকা। আসবাবপত্র নিজ নামে ৬৯ হাজার ও স্ত্রীর নামে ২০ হাজার টাকার।

২০০৮ সালে ৮ হাজার ৯৬৬ টাকা নগদ ও ব্যাংকে ২৫ হাজার ৫৬ টাকা জমা ছিল। ২০১৩ সালে ২২ হাজার ৩১৬ ও ব্যাংকে ৭১ হাজার ৬৩৩ টাকা জমা ছিল। বর্তমানে নিজ নামে ২ হাজার ৩২ টাকা, স্ত্রীর নামে ২ হাজার ২৫৮ টাকা নগদ, নিজ নামে ২৭ হাজার ৮১৭ টাকা ও স্ত্রীর নামে ৫৯ হাজার ৬০৬ টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে।

হলফনামা থেকে জানা যায়, স্থাবর সম্পদ আগের হিসাব থেকে ২০১৩ সালে ৩০ লাখ টাকা মূল্যের রাজউকে ১০ কাঠার একটি প্লট যুক্ত হয়েছিল, যা এবারের হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। ২০০৮ সালে দায় না থাকলেও ২০১৩ সালে আত্মীয় স্বজনদের কাছে জামানত বিহীন ৭৪ লাখ ৪৬ হাজার টাকা, বিবিধ পাওনাদার ৬ লাখ ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৫৬ টাকা ছিল। বর্তমানে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে দেনা ২৪ লাখ ৫৬ হাজার ৯৩৫ টাকা ও আত্মীয়দের কাছে জামানত বিহীন ঋণ ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর মুজিবুল হক বিয়ে করেন। তাই এবার হলফনামার অস্থাবর সম্পদে স্ত্রীর নামের কলাম পূরণ করেন, যেখানে আগে লিখতেন প্রযোজ্য নয়। এতে স্ত্রীর নামে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও জীবন বিমার টাকাসহ ৭০ লাখ টাকা আছে। স্ত্রীর নামে ২১ লাখ টাকার আমানত ও ৮৭ ভরি সোনা দেখিয়েছেন তিনি। মন্ত্রীর নিজের নামে দুটি মোটরগাড়ি আছে। এর বাইরেও কিছু সম্পদ দেখিয়েছেন তিনি।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?