বুধবার, ২০ মার্চ ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৩:৩৯:৪৬

গাইবান্ধা-৩ : সরে দাঁড়ালেন ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী

গাইবান্ধা-৩ : সরে দাঁড়ালেন ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী

গাইবান্ধা : গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ও গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ময়নুল হাসান সাদিক তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে তামাশার নির্বাচন, ভোট ডাকাতিসহ নানা অনিয়ম অভিযোগ এনে স্থগিত হওয়া এই আসন থেকে নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানান।

সংবাদ সম্মেলন শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিনের কাছে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী অধ্যাপক ডা. ময়নুল হাসান সাদিক তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার পত্র জমা দেন।

উলেখ্য, ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী ড. টিআইএম ফজলে রাব্বি চৌধুরী গত ১৯ ডিসেম্বর মারা গেলে ২০ ডিসেম্বর ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে ওই আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।

আগামী ২৭ জানুয়ারি এ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন দাখিলের শেষ তারিখ ছিল গত ২ জানুয়ারি। গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়ন বাছাইয়ে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ও গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ময়নুল হাসান সাদিকের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১০ জানুয়ার এবং প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ১১ জানুয়ারি।

এই বিভাগের আরও খবর

  সরকার জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ: ফখরুল

  পার্বত্য ঘটনার সাথে নির্বাচনের সম্পর্ক নেই: হানিফ

  ছাত্রদের আন্দোলনকে বিএনপির ‘পূর্ণ সমর্থন’

  খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নয়াপল্টনে অনশনে নেতাকর্মীরা

  কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন: তথ্যমন্ত্রী

  ২ জেলায় বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা

  দুষ্কৃতকারীরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে: সিইসি

  মানুষের দুঃখ-কষ্ট শেখ হাসিনাকে আনন্দিত করে : গয়েশ্বর

  ঢাবির উপাচার্য-শিক্ষকরা ডাকসু নষ্ট করে ফেলেছে : দুদু

  সুষ্ঠু নির্বাচনের অনুপস্থিতির কারণে দুর্বৃত্তদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে : ফখরুল

  খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?