শুক্রবার, ১৯ জুলাই ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০১৯, ১২:০০:৪২

খালেদা জিয়াকে মুক্ত করাই এবারের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার : ফখরুল

খালেদা জিয়াকে মুক্ত করাই এবারের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার : ফখরুল

ঢাকা : সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত ও অপহৃত গণতন্ত্র পূণঃরুদ্ধার করতে সাহসী সংগ্রামে অবতীর্ণ হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, ‘৩০ ডিসেম্বর আগের দিন মধ্যরাতের নজিরবিহীন নির্বাচনের পর সুষ্ঠু নির্বাচনকে চিরদিনের জন্য নির্বাসিত করার মাধ্যমে জনগণকে চূড়ান্তভাবে ক্ষমতাহীন করা হয়েছে। নাৎসিবাদের চরম উত্থানে দেশবাসী ভয় ও আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে।

তাই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা ও গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবন ঘটাতে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক শক্তির এ মুহূর্তে গড়ে তুলতে হবে ইস্পাত কঠিন ঐক্য। আর এজন্যই সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে বিপুল জনসমর্থিত নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত ও অপহৃত গণতন্ত্র পূণঃরুদ্ধার করতে সাহসী সংগ্রামে অবতীর্ণ হতে হবে। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’

সোমবার (২৪ মার্চ) সকালে দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী প্রেরিত বিজ্ঞপ্তিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণীতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আমি দেশবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। কামনা করি তাদের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। আজকের এই মহান দিবসে আমি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করি স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধে জেড ফোর্সের অধিনায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে- যাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে এদিনে গোটা জাতি ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই সকল জাতীয় নেতার প্রতি, যাঁরা দেশ ও জাতির জন্য অসামান্য অবদান রেখেছেন।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিশাল রক্ত স্রোত আর ত্যাগ-তীতিক্ষার বিনিময়ে মহিমান্বিত আমাদের স্বাধীনতা। কথা ছিল একটি পতাকা পেলে দেশের মানুষ সুখে শান্তিতে থাকবে। কিন্তু দেশের মানুষ সেই সুখ, শান্তি পায়নি।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার জন্য আজও দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বহুদলীয় গণতন্ত্রের যে যাত্রা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন সেটিও আজকে বিনষ্ট করে গণতন্ত্রের নামে কর্তৃত্ববাদী অপশাসন চালু করা হয়েছে। কেউ যাতে মানুষের মৌলিক মানবিক অধিকার নিয়ে কথা না বলে, নাগরিক স্বাধীনতার জন্য আওয়াজ না তোলে সেজন্যই বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। ‘গণতন্ত্রের মা’ বেগম জিয়াকে বন্দি করার অর্থ গণতন্ত্রকেই বন্দি করে রাখা।’

এই বিভাগের আরও খবর

  ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটলে জালিম সরকার টিকবে না : রুমিন ফারহানা

  খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বরিশালের সমাবেশে জনতার ঢল

  খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে: ফখরুল

  খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বরিশালে সমাবেশ

  ‘অবশ্যই আন্দোলন আসছে, জেগে উঠুন, প্রস্তুতি নিন’

  ‘খালেদা’, ‘খালেদা’ স্লোগানে উত্তাল বরিশাল নগরী

  ৫ সেপ্টেম্বর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলায় খালেদা জিয়ার চার্জ শুনানি

  ধর্ষকের শাস্তি ‘আমৃত্যু কারাদণ্ড’র দাবি বি.চৌধুরীর

  জি এম কাদেরকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ঘোষণা

  বরিশালের মহাসমাবেশ আজ জনসমুদ্রে পরিণত হবে: রিজভী

  ১১ অক্টোবরের মধ্যে এরশাদের আসনে উপনির্বাচন

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?