বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২৪ জুন, ২০১৯, ০১:৫৬:৪৩

বিএনপি কার্যালয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ করেছেন ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধরা

বিএনপি কার্যালয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ করেছেন ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধরা

ঢাকা : বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি ও কাউন্সিলের তারিখ মানেন না জানিয়ে আবার বিক্ষোভ করছেন বিএনপির ছাত্রসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা। তাঁরা বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের বিদ্যুৎ–সংযোগ বন্ধ করে দিয়ে নয়াপল্টনে অবস্থান নিয়েছেন।

ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির সাবেক নেতাদের নেতৃত্বে বিক্ষুব্ধরা আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন।

ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের বিদ্যুৎ–সংযোগ বন্ধ করে দেন। তাঁরা কাউকে কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছেন না।

বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন কার্যালয়ে ঢুকতে চাইলে তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

এ ছাড়া ছাত্রদলের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ইউনিটের এক নেতা কার্যালয়ে ঢুকতে চাইলে তাঁকে মারধর করা হয়।

অন্যদিকে কাউন্সিলের তারিখ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশীরা আজ সকালে মিছিল করেছেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে এখন অবস্থান করছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, ছাত্রদলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের।

২২ জুন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ছাত্রদলের ১২ নেতাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।

গতকাল রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের কাউন্সিলের ঘোষণা দেয় বিএনপি। এতে বলা হয়, আগামী ১৫ জুলাই ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের কাউন্সিল। ওই দিন সকাল নয়টা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত কেবল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ভোট হবে।

বিএনপি ৩ জুন ছাত্রদলের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি কাউন্সিলের মাধ্যমে সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ঘোষণা দেয়। এরপর থেকেই বিলুপ্ত কমিটির নেতারা বয়সসীমা না রেখে ধারাবাহিক কমিটি গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ করে আসছেন।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?