শনিবার, ২৪ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০১৯, ০৫:৪২:৫৭

রাষ্ট্রের সকল সেক্টরে নৈরাজ্য চলছে: বিএনপি

রাষ্ট্রের সকল সেক্টরে নৈরাজ্য চলছে: বিএনপি

ঢাকা: বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সরকারের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতার কারণেই মানুষের মনে ‘ঈদ-আনন্দ নেই’।
ঈদের দিন দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারতের পর তিনি সাংবাদিকদের কাছে এক প্রতিক্রিয়ায় এই কথা বলেন।
ঈদের নামাজ ও কোরবানির পর্ব শেষ করে বেলা ১২টায় খন্দকার মোশাররফ হোসেন নেতা-কর্মীদের নিয়ে শেরে বাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতার কবরে এসে পুস্পমাল্য অর্পণ এবং ফাতেহা পাঠ করেন। এ সময়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব হাবিবউন নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় নেতা আনোয়ার হোসেন, শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, নবী উল্লাহ, সালাহউদ্দিন ভুঁইয়া শিশির, শায়রুল কবির খান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘‘আজকে সারাদেশের বেশিরভাগ এলাকা বন্যা কবলিত, ডেঙ্গু মহামারী আকার ধারণ করেছে, ডেঙ্গু আতঙ্কে দেশের বেশিরভাগ মানুষ আতঙ্কিত। মানুষের মনে যে ঈদের আনন্দ, সেই ঈদের আনন্দ নেই। বিএনপির পরিবারের মধ্যেও ঈদের আনন্দ নেই। আমরা বলতে চাই, সরকারের অদক্ষতা, তাদের ব্যর্থতা, তাদের উদাসিনতার কারণে আজকে দেশের মানুষ সঠিকভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারছে না।”
দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে অভিযোগ করে স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘‘আজকে অত্যন্ত ভরাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে এসেছি। যেহেতু আমাদের নেত্রী আমাদের পাশে নেই। অন্যায়ভাবে আমাদের নেত্রীকে কারাগারে রাখা হয়েছে।”
তিনি বলেন,‘‘ আমরা মনে করি, দেশে জনগনের সরকার নেই বলে, জনগণের প্রতি এই সরকারের দায়বদ্ধতা নেই বলেই সকল ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ও নৈরাজ্য চলছে। এই নৈরাজ্য-অব্যবস্থা থেকে উত্তরনের একমাত্র পথ হচ্ছে দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার, জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা। দেশে গণতান্ত্রিক সরকার, গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হলে গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে হবে।”
উল্লেখ্য, প্রতি বছর খালেদা জিয়া ঈদের দিন জিয়ার কবরে ফুল দিতেন। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি কারাগারে যাওয়ার পর বিএনপির মহাসচিবসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা এই কর্মসূচিটি চালিয়ে যাচ্ছেন। কারাগারে যাওয়ার পর ডায়া্বেটিকস, আর্থারাইটিসসহ নানা রোগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়। জিয়ার কবর জিয়ারতের পর নেতৃবৃন্দ বনানীতে আরাফাত রহমান কোকোর কবরও জিয়ারত করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ

  বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির দেশ: খসরু

  মিডিয়া ছিল বলেই নুসরাত হত্যার বিচার হচ্ছে: গয়েশ্বর

  দেশ আজ ধর্ষণের লীলাভূমিতে পরিণত হয়েছে: সেলিমা রহমান

  কূটনৈতিক কৌশলে সরকার চরমভাবে ব্যর্থ : রিজভী

  ইতিহাস গড়তে চান পাপন-ডালিয়া

  ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধে সরকার সাড়া দেবে না, আশা মেননের

  অদক্ষ চালক, সড়কের প্রকৌশলগত ত্রুটি দুর্ঘটনার জন্য দায়ী: কাদের

  ২১ আগস্টের হামলায় ‘আ.লীগ জড়িত কি না’, সন্দেহ জনমনে: রিজভী

  গ্রেনেড হামলার দায় রয়েছে খালেদা জিয়ারও: তথ্যমন্ত্রী

  একটাই লক্ষ্য এখন- ‘জেলের তালা ভেঙে’ খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা: দুদু

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?