বুধবার, ২০ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৯, ০৬:০৫:৪৬

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বড় লড়াইয়ের বিকল্প নেই: আলাল

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বড় লড়াইয়ের বিকল্প নেই: আলাল

ঢাকা : দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও দেশনেত্রী বেগম খা‌লেদা জিয়ার মুক্তির জন্য বড় ধরনের লড়াই ছাড়া বিকল্প কোনও পথ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

সোমবার (২১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত “গণতন্ত্রহীনতা ও অবরুদ্ধ বাকস্বাধীনতা” শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আলাল বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতের একটা ছবি দেখলাম- একজন গাড়িচালককে একদল বানর তাড়া করছে। সেই গাড়িটি বানরের দল দখল করে আছে। কিন্তু বানর তো গাড়ি চালাতে জানে না। চালাতেও পারছে না। আমাদের সমস্যাটাও তো সেই জায়গায়- রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে আছে সেরকমই একটি বানরের দল। যারা রাষ্ট্র চালাতে পারছে না। বাংলাদেশের জনগণ সেই বানরের দলের খপ্পরে পড়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশে এত সমস্যা যে, কোন সমস্যার কথা বলব? সাম্প্রতিক আবরার হত্যার কথা যদি বলি- তাহলেও আমাদের দোষ। সরকারি দলের কিছু নেতাকর্মীরা বলে- বিএনপির আমলে তো সনি হত্যা হয়েছে। আমিও বলবো- হ্যাঁ, হ‌য়ে‌ছে। ত‌বে যারা এর সাথে জড়িত ছিল তাদের শাস্তিও হয়েছে। ভিসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। সনি হত্যাকাণ্ড একটি দুর্ঘটনা, কিন্তু আবরার হত্যাকাণ্ড ছিল পরিকল্পিত। আবরারকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে যে কোনও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই সেটিই স্পষ্ট করা হয়েছে।’

যুবদলের এই সাবেক সভাপতি বলেন, ‘আমরা বহু বছর ধরে দেখছি আওয়ামী লীগের কিছু মন্ত্রী আছেন যারা নিজ মন্ত্রণালয় যে কাজ তার চেয়ে বেশি কাজ করেন ‘জিয়া মন্ত্রণালয়’ নিয়ে। ‘জিয়া মন্ত্রণালয়’ নামে একটা মন্ত্রণায় খুলে দিলে হাছান মাহমুদ, এইচটি ইমাম, মহীউদ্দীন খান আলমগীর, ম্যাচো হানিফরা দারুণভাবে সেই মন্ত্রণালয়টি চালাতে পারতেন। জরুরি ভিত্তিতে এই না‌মে এক‌টি মন্ত্রাণলায় তাদের জন্য করে দেয়া দরকার।’

গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলার কথা উল্লেখ করে আলাল বলেন, ‘ছাত্রলীগ ও মুক্তিযোদ্ধা চেতনা নামের সংগঠন মিলে আমাদের ছাত্রদলের ভাইদের ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলা শেষে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাংবাদিকদের বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ছাত্রদলের ওপর তারা হামলা চালিয়েছে। আসলে ছাত্রলীগ তথা বর্তমান অবৈধ সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলতে বলতে নিজেরাই যখন-তখন চেতনা হারিয়ে ফেলেন, অচেতন হয়ে পড়েন। এই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে জাতিকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে সরকার।’

বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে মানে গোটা বাংলাদেশে কারাগারে- এমন মন্তব্য করে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখে দেশের গণতন্ত্রকে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে সরকার। তিনি কারাগারে মানে দেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইল কারাগারে পরিণত হয়েছে।’

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘অন্যের ময়লা পরিষ্কার করার আগে নিজের ময়লা ভালো করে পরিষ্কার করেন। ক্যাসি‌নোর সম্পৃক্ততা থাকার কারণে যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের স্বীকারোক্তিতে যেসব সাংবাদিক, বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রী এবং পুলিশের উঠে এসেছে তাদেরকে গ্রেফতার করুন। তাদেরকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না? মানুষের মনে আবরণ সৃষ্টি করে আপনি চলে যাবেন আর মনে করবেন- সাবান দিয়ে চোখ পরিষ্কার করলেন আর হয়ে গেল- তা হবে না।’

ড্যাব সভাপতি ডা. হারুনু-আল রশিদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ ও সংগঠনের মহাসচিব আব্দুস সালাম প্রমুখ।

এই বিভাগের আরও খবর

  তারেক রহমানের জন্মদিনে বিএনপির দোয়া মাহফিল

  খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছে বিএনপি

  আ.লীগের কোলে বড় হয়ে কিছু নেতা সড়ক আইন নিয়ে খেলছে: নাসিম

  উনারা কি খালেদা জিয়াকে জেলের ভেতরে মেরে ফেলতে চান: প্রশ্ন আব্বাসের

  সড়ক পরিবহন আইন বাস্তব সম্মত নয়: ফখরুল

  সরকার উৎখাতের হুংকার কেবল ‘শব্দ দূষণ’ করবে: ইনু

  ক্ষমতা না ছাড়লে এবার পার পাবেন না: আ.লীগকে মান্না

  ৭৪’র কালো ছায়া বাংলাদেশকে ফের গ্রাস করতে চলেছে: সেলিমা রহমান

  ভবিষ্যতে মানুষকে জিম্মি করে রাজনীতি করবো না: নাসিম

  গণতন্ত্রের বাংলাদেশ এখন ‘স্বৈরতান্ত্রিক জাতিতে রূপান্তরিত’: দুদু

  খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির নতুন কর্মসূচি

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?