রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০১ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০৪:১৪:০০

খালেদা জিয়ার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: মঈন খান

খালেদা জিয়ার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: মঈন খান

ঢাকা : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, ‘সংসদ ও বিচার বিভাগ সরকারের দখলে। তাই ৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন হবে কি-না, তা একমাত্র সরকারই জানে। আইনের প্রয়োগে নয়, খালেদা জিয়ার মুক্তি হচ্ছে না রাজনৈতিক কারণে। তাঁর মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন চলবে।’

রবিবার (০১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা ও দোয়া মোনাজাতের পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মঈন খান বলেন, ‘আমরা দুঃখ পাই যখন দেখি, সাদেক হোসেন খোকার মতো মুক্তিযোদ্ধা দেশের মাটিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে পারেন না। আমরা দুঃখ পাই ইসতিয়াক আজিজ উলফাতের মতো মুক্তিযোদ্ধাকে গ্রেফতার করে কারাগারে নেয়া দেখে। তাহলে এ দেশের মানুষ কি এই প্রশ্ন করতে পারে না যে, এই দেশ যদি মুক্তিযোদ্ধাদের দেশ হয়ে থাকে, তাহলে তাদের ওপরে চরম নির্যাতন কেন?’

তিনি বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা অনেক বড়াই করে বলি। তবে এটা বড় কথা নয়, মুখে কে কি বললো। এই সরকারের সময় সত্যিকার মুক্তিযোদ্ধাদের যখন অবমাননা হয়, তখন প্রশ্ন জাগে- এই সরকার সত্যিকার অর্থে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কি-না।’

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য এদেশের লাখ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছিল। আমরা জানি, যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল বলে নিজেদের দাবি করে সেই তারা ছিল পলায়নপর শক্তি। তারা সাহস করে সামনে এসে যুদ্ধ করতে পারেনি। কিন্তু দেশের মানুষ জিয়াউর রহমানের আহ্বানে মুক্তিযুদ্ধে নেমে এসেছিল।’

তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় বিষয় ছিল অর্থনৈতিক মুক্তি। সরকার বড়াই করে বলে তারা নাকি ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। কিন্তু তারা এটা বলে না বিশ্বের নামিদামি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বলে দিয়েছে, বিশ্বের যে পাঁচটি দেশে ধনী-গরিবের ব্যবধান সবচেয়ে বেশি বেড়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ স্থানে। যে দেশে ধনী-গরিবের ব্যবধান সর্বোচ্চ হারে বাড়তে পারে, সে দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি কীভাবে হলো?’

খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে দাবি করে বিএনপির এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘আমরা জানি এটা রাজনৈতিক মামলা। রাজনৈতিক মামলায় খালেদা জিয়াকে কারারুদ্ধ করে, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে ৩০০ সিটের মধ্যে ২৯২ সিট দখল করা যায়। কিন্তু জনগণের ভালবাসা পাওয়া যায় না।’

আগামী ৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন না হলে বিএনপির কর্মসূচি কী হবে জানতে চাইলে মঈন খান বলেন, ‘বিএনপির কর্মসূচি স্পষ্ট। বিএনপি গণতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে ও জনগণের কল্যাণে বিশ্বাসী। আমরা মানুষের কল্যাণে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় রাজনীতি করে যাবো, যতক্ষণ পর্যন্ত দেশনেত্রীর মুক্তি না হয়।’

এসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের আহ্বায়ক শামা ওবায়েদ, ওলামা দলের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হক ও শাহজাহান মিয়া সম্রাট প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  বিএনপি ও যুবদলের দুই নেতা গ্রেফতার

  বিএনপি নেতা কবির মুরাদের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

  খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সারাদেশে যুবদলের বিক্ষোভ কর্মসূচী পালিত

  আসল রহস্য ফাঁস হওয়ার ভয়ে খালেদা জিয়ার স্বজনদের স্বাক্ষাৎ করতে দেয়া হচ্ছে না : রিজভী

  আ.লীগ দেশের সব অর্জন ধ্বংস করে ফেলেছে: ফখরুল

  টিউলিপ রুপা রুশনারা ও আফসানাকে আ’লীগের অভিনন্দন

  দৈনিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ: কাদের

  শনিবার দেশব্যাপী যুবদলের বিক্ষোভ

  খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ‌‌‘মিছিল করায়’ ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম

  সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

  আ.লীগে এখনো মোশতাকদের পদচারণ রয়েছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?