সোমবার, ২৭ মে ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৯, ০৮:৫৮:৪০

সেই অধ্যক্ষের আরো ভয়ঙ্কর অপকর্ম ফাঁস

সেই অধ্যক্ষের আরো ভয়ঙ্কর অপকর্ম ফাঁস

ফেনী: ফেনীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়ন ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যায় অভিযুক্ত অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার আরও নানান অপকর্ম বেরিয়ে আসছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে এসব তথ্য ফাঁস করেছেন ফেনীর দৌলতপুরের আবুল বাশার নামের এক ব্যক্তি।

আবুল বাশার বলেন, আমার দাদার প্রতিষ্ঠা করা এক মাদরাসার সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন সিরাজ উদ দৌলা। তখন আমাদের মাদরাসার ছাত্রদের বলাৎকার করেছিলেন সিরাজ। সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়ন ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা আজ আমাকে ফেসবুক লাইভে আসতে বাধ্য করেছে। আমি ধর্ষক সিরাজ উদ দৌলা সম্পর্কে কিছু তথ্য দিতে চাই।

আবুল বাশার বলেন, ১৯৯৫ সালে আমি বাড়িতে যাই। তখন সিরাজ উদ দৌলা আমার দাদার প্রতিষ্ঠিত দৌলতপুর সালামাতিয়া মাদরাসার সুপার। ছাত্রদের পড়ানোর নাম করে তাদের হোস্টেলে রেখে রাতে বলাৎকার করতেন। একদিন বিকেলে নবম শ্রেণির এক ছাত্র আমাকে জানায় মাদরাসার সুপার সিরাজ উদ দৌলা তাকে বলাৎকার করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার দাবি করলে সিরাজ উদ দৌলা আমার পেছনে লাঠিয়াল বাহিনী লাগিয়ে দেয়। আমি লাঠিয়াল বাহিনীকে প্রতিহত করতে পারলেও সুষ্ঠু বিচার করাতে পারিনি। নির্যাতিত ছেলেটি বিচার পায়নি।

আবুল বাশার বলেন, বিচার করতে না পারার কারণ সিরাজ উদ দৌলার দোসর, প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও বিএনপি নেতা মাহবুবল হক, বর্তমানে সোনাগাজীর সোনাপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও বর্তমান দৌলতপুর সালামাতিয়া মাদরাসার সুপার বজলুল করিম ও জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রতারণার কারণে সুষ্ঠু বিচার হয়নি। সিরাজ উদ দৌলাকে রক্ষা করেছে এরা।

নিহত নুসরাতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আবুল বাশার আরও বলেন, আমি নুসরাত জাহান রাফির প্রতি কৃতজ্ঞ যে ১৯৯৫ সালে আমি যে বিচার করাতে পারিনি ২০১৯ সালে তুমি সেই বিচারের দাবি ভাইরাল করতে পেরেছ। তুমি দুনিয়া ছেড়ে চলে গেলেও তোমার বিচারের দাবিতে সারাদেশ সোচ্চার। ধর্ষক সিরাজ উদ দৌলার বিচার চাই আমরা।

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?