শুক্রবার, ১৯ জুলাই ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৯, ০৯:৩০:৫৮

সেলফি তুললে জেল জরিমানা হয় যে দেশে!

সেলফি তুললে জেল জরিমানা হয় যে দেশে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: এ সময়ের জনপ্রিয় একটি বিষয় সেলফি। সেলফি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা অনেকের নেশাতে পরিণত। যে কারণে ক্যামেরাহীন মোবাইল এখন বিলুপ্তির পথে।
কোথাও কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলে, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বা কোনো স্মৃতিকে ছবিতে ধরে রাখতে সেলফি তুলছেন প্রায় সবাই।
এভাবে সেলফি তোলার হিড়িক অনেকটা মানসিক রোগে পরিণত।
এ নিয়ে বইছে সমালোচনার ঝড়। তবু সেলফি আক্রান্তরা ক্ষান্ত হচ্ছেন না।
যে কারণে সেলফি বিষয়ে কঠোর আইন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত দেশটি।
কারও অসম্মতিতে বা কাউকে না জানিয়ে সেলফি তুললে জেল জরিমানা নিশ্চিত সেখানে। দোষীকে ছয় মাসের কারাভোগের বিধান করেছে দেশটির আইন। তাতেই শেষ নয়, অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী জরিমানা দিতে হবে সর্বোচ্চ ৫ লাখ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ১৪ লাখ টাকার বেশি)। সূত্র: খালিজ টাইমসের

খালিজ টাইমস সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে বা প্রাইভেট পার্টিতে নিজের ইচ্ছেমত সেলফি তুলছেন, তো বিপদকে কাছে টেনে আনলেন। এ জন্য জেল এবং জরিমানা হতে পারে।
আরব আমিরাতের আইন বলছে, সেলফি তুলতে সমস্যা নেই কিন্তু সেই সেলফিতে অপরিচিত জনের ছবি বা অন্য কারও ব্যক্তিগত বিষয়, তথ্য চলে আসলে তা গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ জন্য ছয় মাসের জেল এবং সঙ্গে রয়েছে জরিমানা।
দেশটির এক আইনজীবী নওরা সালেহ আল হাজরি আমিরাত আল ইউমকে বলেন, গত তিন বছরে বিয়ে এবং প্রাইভেট পার্টিতে ‘ছবি তোলা সম্পর্কিত’ মামলার পরিমাণ ব্যাপক হারে বেড়েছে।
যে কারণে আইনটি এমন কঠোর করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আপনি সেলফি তুলছেন অথচ আপনি নিজেই জানেন না যে আপনার পেছনের দৃশ্য আপনার সর্বনাশ ডেকে আনছে।
বর্তমানে প্রায় সব দেশেই সেলফি এক মহামারী আকার ধারণ করেছে। অতিরিক্ত সেলফি তোলাকে মানসিক রোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের দিকে ইংল্যান্ডের নটিংহ্যাম ট্রেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভারতের থিয়াগারাজার স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট মিলে একটি জরিপ করে। যেখানে বলা হয়, দিনে ৬টির বেশি সেলফি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার তাড়না বোধ করা ব্যক্তি 'ক্রনিক সেলফাইটিস' রোগে আক্রান্ত।

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?