রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৭:২২:৫০

এক স্ত্রীকে নিয়ে ২ স্বামীর টানাটানি

এক স্ত্রীকে নিয়ে ২ স্বামীর টানাটানি

মানিকগঞ্জ : মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় নিলুফা ইয়াসমিন নামে এক নারীর দুই স্বামীর ঘর সংসার করার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নওগাঁ গ্রামে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ভুক্তভোগী স্বামী শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে সহায়তা কামনা করেন।

জানা যায়, উপজেলার নওগাঁ গ্রামের মৃত বাচ্চু মাতব্বারের মেয়ে নিলুফা ইয়াসমিনের সাথে গত ১৫ বছর পূর্বে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার পূর্ব চাঁন্দরা গ্রামের মৃত হাজী শফিজুদ্দিনের ছেলে ও কালিয়াকৈর পৌরসভার কাউন্সিলর মো: সাইফুল ইসলামের ছোট ভাই মো: মফিজুল ইসলামের সাথে বিয়ে হয়। বিবাহের পর থেকে সাটুরিয়া উপজেলার কাওন্নারা গ্রামে মো: শহিদুল ইসলামের সাথে নিলুফা ইয়াসমিনের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

পরকীয়া সম্পর্কের কারণে গত বছরের ১৭ই মার্চ তারিখে নিলুফা ইয়াসমীন প্রথম স্বামী মফিজুল ইসলামকে তালাক দিয়ে ওই বছরের ১১ জুলাই শহিদুল ইসলামকে কাজী অফিসে রেজিস্টার করে বিয়ে করেন। দীর্ঘ এক বছর দ্বিতীয় স্বামী শহিদুলের ঘর সংসার করার পর একপর্যায়ে তাকে (শহিদুলকে) তালাক না দিয়ে পুনরায় প্রথম স্বামী মফিজুল ইসলামের ঘর সংসার করছে বলে অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে অভিযুক্ত নারী নিলুফা ইয়াসমীন তার প্রথম স্বামীর সাথে সংসার করছেন।

এ বিষয়ে নিলুফারের দ্বিতীয় স্বামী মো: শহিদুল ইসলাম জানান, আমার বিয়ে করা স্ত্রী আমাকে তালাক না দিয়েই আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্য পুরুষের ঘর করছে।

মানিকগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. জাহিদুর রহমান তালুকদার বাবু জানান, ইসলামী শরিয়াহ এবং দেশীয় মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী একসাথে একজন নারীর একাধিক স্বামী অনুমোদন করে না। প্রথম স্বামী মফিজুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মফিজুলের বড় ভাই কালিয়াকৈর পৌরসভার কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম জানান, ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর একটা দুর্ঘটনা হয়েছিল। দ্বিতীয় স্বামীকে তালাক দিয়ে সেই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?