শনিবার, ৩০ মে ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ০১ মে, ২০২০, ০৯:৫২:৫৭

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কলেজ ছাত্রীর সর্বনাশ!

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কলেজ ছাত্রীর সর্বনাশ!

রাজশাহী: রাজশাহীর মোহনপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজ ছাত্রীকে (২০) ধর্ষণের অভিযোগে পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে ওই ছাত্রী মোহনপুর থানায় নারী ও শিশু নি’র্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলার বাকশিমইল ইউনিয়নের কালিগ্রাম খাজুরা মধ্যপাড়া গ্রামের নহির উদ্দিন ছেলে নৈমুদ্দিন ওরফে নয়ন (২০), ইউনুস আলীর স্ত্রী ফাজেলা বেগম (৩৮) ও মৃত খিন্টু মন্ডল ছেলে নহির উদ্দিন(৫০) সহ তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। ওই ছাত্রীর বাড়ি উপজেলার কালিগ্রাম খাজুরা গ্রামে। সে বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্রী। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রধান আসামি নৈমুদ্দিন নয়ন কলেজে আসা-যাওয়ার পথে ও মোবাইল ফোনে প্রায়ই ওই ছাত্রীকে প্রেম নিবেদন ও উত্ত্যক্ত করতেন। এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে নৈমুদ্দিন নয়ন ছাত্রীটিকে একাধিকবার ধ’র্ষণ করেন। ওই ছাত্রী নৈমুদ্দিন নয়নকে বিয়ের জন্য তাগিদ দেন। বিয়ে না করে বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপন করিতে থাকে।

গত ২১ এপ্রিল সকাল সকাল ১০টায় ছাত্রীর বাবা ও মা বাড়ীতে না থাকায় সুযোগে তাদেও বাড়ীতে আসেন বিয়ের প্রলোভনে ফুসলাইয়া ধর্ষণ করেন। নৈমুদ্দিন নয়নকে বাড়ী হইতে বাহির হওয়া দেখতে পেয়ে চাচা হালিম জিজ্ঞাসা করলেওই ছাত্রী বিস্তারিত খুলে বলে। পরে গত ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টায় বিয়ের জন্য নৈমুদ্দিন নয়ন তাদের বাড়ীতে ডেকে নেয়। নয়নে বাড়ীতে গিয়ে দেখা যায় যে, অন্য একটি মেয়েকে বিরে করেছে। ওই সময় নৈমুদ্দিন নয়নের চাচী ফাজেলা বেগম কিল-ঘুষি মেরে বাড়ী হতে বের করে দেয়।পরবর্তীতে মামলার অভিযুক্ত নৈমুদ্দিন নয়র ও তার পিতা নহির উদ্দিন বাড়ীতে যেয়ে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে ও বিয়ে করতে পারবে বলে জানিয়ে দেয়।

বুধবার রাতে মোহনপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে(ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য প্রধান আসামি নয়নের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে। নয়নের মা পারেছা বেগম বলেন, তাঁর ছেলে নৈমুদ্দিন নয়ন কোথায় আছেন, তা তিনি জানেন না।

এদিকে ছাত্রীর চাচা মুছাদ আলী জানান ওই লম্পট নৈমুদ্দিন নয়ন একাধিক মেয়েকে মিথ্যা প্রেমের জালে জড়িয়ে তাদের জীবন নষ্ট করেছে। মোহনপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ জানান, নয়ন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে।পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।মামলার পরপরই আসামী গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যহত রয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?