শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ০৪ জানুয়ারী, ২০১৯, ১২:০২:৩৬

বিএনপিকে জামায়াতের অবজ্ঞা!

বিএনপিকে জামায়াতের অবজ্ঞা!

ঢাকা: গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থীদের বৈঠকে যোগ দেয়নি জামায়াতে ইসলামী। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির ২২ নেতা ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে ভরাডুবির পর বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানের শীষের প্রার্থীদের নিয়ে গুলশান কার্যালয়ে বৈঠক হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম। তার কাছে জামায়াতের প্রার্থীরা বৈঠকে যোগ দিয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘না তাদের দেখিনি।’

সব প্রার্থীকে বৈঠকে আসার চিঠি দেয়া হয়েছিল তাহলে তারা কেন আসেননি এমন প্রশ্নের জবাবে সালাম বলেন, ‘এটা তারাই ভালো বলতে পারবেন।’

জামায়াতের না থাকার বিষয়ে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ‘তাদের ২২ জনের মধ্যে ১০ জন কারাগারে, অন্যরাও প্রকাশ্যে রাজনীতি করতে পারছেন না। এ কারণে কৌশলগত কারণে তারা হয়তো আসেননি।’

জামায়াত নেতারা না আসলে ফ্রন্টের শরিক গণফোরাম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, নাগরিক ঐক্য, জেএসডির প্রার্থীরা বৈঠকে অংশ নেন।

শুধু জামায়াত নেতারাই নয় বৈঠকে অনেক বিএনপি প্রার্থীও যোগ দেননি বলে গুলশান কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে।

২৯৮টি আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী মনোনয়ন দেয় বিএনপি। তার মধ্যে ১৭৪ প্রার্থী আজকের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান।

বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বক্তব্যে প্রার্থীদের কাছে তাদের নিজ এলাকার ভোটের পরিস্থিতি এবং পরবর্তী করণীয় কী হতে পারে, তা বিস্তারিতভাবে জানাতে প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, হারুনুর রশীদ, আমিনুল ইসলাম, মোশারররফ হোসেন ও জাহিদুর রহমান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বৈঠকে অংশ নেন আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, হাফিজউদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, জয়নাল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধরী, শাহজাহান ওমর, মিজানুর রহমান মিনু, আমিনুল হক, আবদুস সালাম, শাহজাহান মিয়া, ভিপি জয়নাল আবেদীন, গৌতম চক্রবর্তী, আলমগীর কবির, দেওয়ান মো. সালাহউদ্দিন, নাজিম উদ্দিন আলম, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সুলতান মাহমুদ বাবু, রফিকুল ইসলাম হিলালী, শরীফুল আলম, জালাল উদ্দিন, আজিজুল বারী হেলাল, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জিএম সিরাজ, সাখাওয়াত হোসেন বকুল, জহিরউদ্দিন স্বপন, মফিকুল হাসান তৃপ্তি, অনিন্দ্র ইসলাম অমিত, সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিকী, নবী উল্লাহ নবী,মোরশেদ মিল্টন, পারভেজ আরেফীন সিদ্দিকী, রুমানা মাহমুদ, কনকচাপা হাবিবুল ইসলাম হাবিব, মিজানুর রহমান, জি কে গউস, আবু তাদের তালকুদার, কায়সার কামাল, আনোয়ারুল হক, তাহসিনা রুশদির লুনা, লুতফর রহমান কাজল, মুন্সি রফিকুল আলম, খন্দকার মুক্তাদির, মোশাররফ হোসেন, শফি আহমেদ চৌধুরী, এবিএম মোশাররফ হোসেন, সালমা আলম, রফিকুল ইসলাম, সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা, সালাহ উদ্দিন সরকার, কাজী নাজমুল হোসেন, শাহ শহীদ সারোয়ার, আবদুল খালেক, আরও ছিলেন জেএসডির আসম আবদুর রব, আবদুল মালেক রতন, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, ইকবাল সিদ্দিকী, গণফোরামে সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, আমসা আমিন, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, খেলাফত মজলিশের আহমেদ আবদুল কাদের, এনডিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ প্রমুখ।

এছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মাহবুবুর রহমান, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?