সোমবার, ১৪ অক্টোবর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ২২ জুন, ২০১৯, ১১:৩৮:০৩

স্থায়ী কমিটি নিয়ে অস্বস্তিতে বিএনপি

স্থায়ী কমিটি নিয়ে অস্বস্তিতে বিএনপি

ঢাকা: দলের দুর্বলতা কাটিয়ে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিতের লক্ষে দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে স্মরণকালের সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় পড়া বিএনপি। সেই লক্ষ্যে এরইমধ্যে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর দীর্ঘদিনের কমিটি ভেঙে দিয়ে কাউন্সিল ও নতুন আহ্বায়ক কমিটিও ঘোষণা শুরু করেছে দলটি। এর ধারাবাহিকতায় দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতেও সম্প্রতি দুই নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে বিএনপি। গত বুধবার (১৯ জুন) দলের প্রবীণ নারী নেত্রী সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার কথা ঘোষণা করে বিএনপি। কিন্তু নতুন এ দুই নেতাকে দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পদে পদোন্নতি দেয়ার পর আরও অস্বস্তিতে পড়েছে দলটি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটি হচ্ছে দলের সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন। আজীবন বিএনপির রাজনীতি করা পোড় খাওয়া নেতাদের লক্ষ্য থাকে শেষ জীবনে হলেও স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া এ ফোরামে সাংগঠনিকভাবে যোগ্য, পরীক্ষিত, ত্যাগী ও দলে তুলনামূলক গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদেরই স্থান হয়।

বিএনপির কেন্দ্রীয় এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, স্থায়ী কমিটিতে নতুন দুই নেতার অন্তর্ভুক্তি বিএনপির জন্য কতটা কাজে আসবে তা সময়ই বলে দেবে। কারণ যে দুজনকে দলের সর্বোচ্চ এ ফোরামের সদস্য করা হয়েছে, তারা দুজনই সরকারের খুব ঘনিষ্টজনদের স্বজন। এতে দলের সিক্রেসি কতটা নিরাপদ থাকবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে। এছাড়া অনেক সিনিয়র ও যোগ্যদের রেখে এদের মনোনীত করায় দলে বিরোধ বাড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না। এর ফলে সক্রিয়রাও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়তে পারেন।

বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে মোট পদের সংখ্যা ১৯ জন। কমিটিতে রয়েছেন, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (পদাধিকার বলে), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদ। এর সঙ্গে যুক্ত হলেন সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তাতে স্থায়ী কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ জনে। নতুন নিযুক্ত এ দুই নেতা এতদিন দলের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

২০১৬ সালে দলের জাতীয় কাউন্সিল করার ৩ বছরেও জাতীয় স্থায়ী কমিটির কোটা পূরণ করতে পারেনি বিএনপি। নতুন দু’জন স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে সদস্য সংখ্যা মোট ১৫ জনে দাঁড়ালেও এর মধ্যে নিষ্ক্রিয় আছেন কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার অবর্তমানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয় দীর্ঘ এক যুগ ধরে লন্ডনে স্বেচ্ছানির্বাসিত সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। তিনিও পদাধিকার বলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। লন্ডনে থাকার কারণে মূলতঃ তারেক রহমানও সরাসরি স্থায়ী কমিটিতে ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হচ্ছেন। দলটির সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারকদের বৈঠকে তারেক রহমান স্কাইপির মাধ্যমে যোগ দিয়ে আসছেন, তার মা গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় কারাগারে যাওয়ার পর থেকে। যদিও দলের সকল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত লন্ডনে থেকেই তিনিই (তারেক রহমান) দিয়ে থাকেন। আর সালাহউদ্দিন আহমেদ অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতের প্রবেশের মামলায় দীর্ঘদিন ধরে ভারতের শিলংয়ে অবস্থান করছেন। কার্যতঃ সালাহউদ্দিনও নিষ্ক্রিয়। খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পর থেকেই দলীয় কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন জেনারেল মাহবুব। এছাড়া, অসুস্থতার কারণে নিষ্ক্রিয় হয়ে আছেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু- দুজনই বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদের পদোন্নতি দিয়েছেন। এ দুজনকে অন্তর্ভুক্ত করার পরেও বিএনপির স্থায়ী কমিটির তিন সদস্য তরিকুল ইসলাম, আ স ম হান্নান শাহ এবং এম কে আনোয়ার মারা যাওয়ায় এখনও স্থায়ী কমিটির পদ খালি রয়েছে তিনটি। পদগুলোতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিনিয়র নেতাদের মধ্য থেকে নিজের ইচ্ছেমতো নিয়োগ দিতে পারেন।

কাউন্সিলের ৩ বছর ৩ মাস পর দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটিতে স্থান পাওয়া সেলিমা রহমান প্রচণ্ড বিএনপিবিরোধী হিসেবে পরিচিত ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বোন। আর একসময়ে যুবলীগ ও জাতীয় পার্টির রাজনীতি ছেড়ে ১৯৯৬ সালে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়া ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা শেখ পরিবারের অন্যতম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ছেলের শ্বশুর (বেয়াই)।
 
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্থায়ী কমিটির কোটা পূরণের বিষয়ে বলেন, স্থায়ী কমিটির ফাঁকা পদগুলো কতদিনে পূরণ হবে জানি না। নতুন দুজন পদ পেলেন, তাদের অভিনন্দন জানাই। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্থায়ী কমিটিতে পদ দিতে পারেন আমাদের চেয়ারপারসন। কিন্তু তিনি না থাকায় আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পদোন্নতি দিয়েছেন। আমাদের গঠনতন্ত্রেই আছে অনেক বিষয়ে স্থায়ী কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয় না।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফল বিপর্যয়ের পর আবার ঘুরে দাঁড়াতে নানামুখি উদ্যোগ নিচ্ছে বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে ঘোষণা করা হয় নতুন দুজন সদস্যের নাম। পুনর্গঠিত কমিটিতে আরও বেশ কজন নতুন মুখ আসছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার (১৯ জুন) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘২০১৬ সালে আমাদের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলের পর আমাদের কমিটিগুলো পুনর্গঠিত হয়েছে, কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে কয়েকটি শূন্য পদ রয়েছে। আমাদের কয়েকজন বরেণ্য নেতা মারা গেছেন। ওই শূন্যপদগুলোর মধ্যে আজকে আমি স্থায়ী কমিটিতে নতুন দুজনের নাম ঘোষণা করছি। সেখানে রয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

সূত্র জানায়, জাতীয় স্থায়ী কমিটির নতুন দুজন সদস্যের নাম ঘোষণার পর বিএনপিতে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। দলের সিনিয়র অনেক নেতাকে ডিঙিয়ে এ দুই নেতাকে স্থায়ী কমিটির মতো সর্বোচ্চ এ পদকে অনেকেই সহজভাবে গ্রহণ করতে পারছেন না। যদিও এ বিষয়ে কোনো নেতা প্রকাশ্যে কথাও বলতে অস্বীকৃতি জানান। তবে, নিজেদের কাছের মানুষ বা নেতাকর্মীদের কাছে অনেক নেতাই এ অস্বস্তির কথা প্রকাশ করছেন। অনেকেই নিজেদের অবমূল্যায়নে ক্ষুব্ধ ও হতাশ বলে জানা গেছে।
এসব নেতাদের বক্তব্য হচ্ছে- কেউ কেউ দীর্ঘ প্রায় তিন যুগ, কেউ দুই যুগের বেশি সময় ধরে জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া তার আদর্শের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। অনেকে দীর্ঘ এই রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ৫/৬/৭ বারও জনগণের ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। দায়িত্ব পালন করেছেন একাধিকবার সিনিয়র মন্ত্রীরও। অথচ দলে তুলনামূলক অনেক জুনিয়র বারবার মূল্যায়িত, অতিমূল্যায়িত, সম্মানিত হচ্ছেন। আর তারা নিজেরা দলীয় পদ-পদবিতে হচ্ছেন অবমূল্যায়নে শিকার। এতে নেতাকর্মীদের কাছেও এসব নেতারা অসম্মানিত বোধ করেন।

এদিকে, মূল্যায়ন না হওয়ায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীর উত্তম বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন বলে জানিয়েছেন। গত বুধবার স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হওয়া নতুন ওই দুই সদস্যের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ব্যারিস্টার শাহজাহান গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, আমার দ্বারা হয়তো এ দল করা সম্ভব হবে না।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে আইন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর। বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য থেকে ভাইস চেয়ারম্যান করা হয় তাকে। ওই কাউন্সিলে স্থায়ী কমিটির সদস্যের মধ্যে দুটি পদ শূন্য ছিল। পরবর্তীতে স্থায়ী কমিটির ৩ সদস্য মারা যাওয়ায় ৫টি পদ শূন্য হয়। শূন্য ওই পদগুলো পূরণে যাদের নাম আলোচিত হচ্ছিল তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর। কিন্তু সেখানে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

শাহজাহান ওমর ছাড়াও দেশের অন্যতম প্রবীণ রাজনীতিক শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনও নিজেকে অবমূল্যায়িত ভেবে চেয়ারপারসন বরাবর চিঠি দিয়ে বিএনপি থেকে পদত্যাগের বিষয়ে ভাবছেন বলে তার ঘনিষ্ঠজনদের জানিয়েছেন। এ ছাড়াও, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানদের সিরিয়ালে ৩৫তম ব্যবসায়ী নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টুও দলীয় পদ-পদবি নিয়ে নিজের অসন্তুষ্টির কথা ঘনিষ্ঠজনদের কাছে প্রকাশ করেছেন। মিন্টুর আশা ছিল স্থায়ী কমিটিতে জায়গা হবে তার। কারণ অন্য যারা সদস্য আছেন তাদের থেকে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রভাব বিবেচনায় তিনি কোনোভাবেই পিছিয়ে নন, বরং অনেকের থেকে এগিয়ে। কিন্তু দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পদে জায়গা না পাওয়ায় তিনিও হতাশ।

এদিকে, বৃহস্পতিবার সিএমএম কোর্টে বিস্ফোরক ও বোমাবাজি মামলায় হাজিরা দিতে যান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, সেলিমা রহমান ও শিমুল বিশ্বাসসহ আরও কয়েক সিনিয়র নেতা। সেখানে তাদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির বিষয়ে আলোচনা হয়। সেই আলোচনায় মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আক্ষেপ করে বলেন, বিগত সময়ে পরপর ৬ বার জনগণের স্বতস্ফূর্ত ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। জনগণ ভালবাসা দিয়েছে। বর্তমান সরকার ভোট ডাকাতি ও প্রশাসনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিঃশেষ করে না দিলে হয়ত বিগত দুই জাতীয় নির্বাচনেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতাম। স্বৈরাচার এরশাদ পতনের পর বিএনপির প্রথম সরকারেই একাধিক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু আফসোসের বিষয় আজও স্থায়ী কমিটির সদস্য হওয়ার মতো যোগ্যতা অর্জন করতে পারলাম না। এসময় তিনি স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হওয়ায় সেলিমা রহমানকে অভিনন্দনও জানান বলে সূত্র দৈনিক জাগরণকে নিশ্চিত করে।  

লীয় সূত্র জানায়, বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে আরও নতুন সদস্য সংযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সেই তালিকায় যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ তারেকপত্নী ডা. জোবায়দা রহমান, প্রবীণ নেতা ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, আবদুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আবদুল আউয়াল মিন্টু, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রমুখ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, বয়সজনিত কারণে তিনি আগের মতো ভূমিকা রাখতে পারছেন না। এ পরিস্থিতিতে তিনিও অবসর নেয়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন। বর্তমানে দলের প্রয়োজনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে- এমন তরুণ নেতাদের জন্য স্থান ছেড়ে দেয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি।

এই বিভাগের আরও খবর

  নাইট গার্ড বাবার ছেলে ধনকুবের ছাত্রলীগের নাজমুল

  চমেকে সরঞ্জাম কেনার প্রস্তাবেই দুর্নীতি: একটি ক্যাপ-মাস্কের দাম ৮৪ হাজার টাকা

  উপজেলা নির্বাচনে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী: শোকজের জবাবে ক্ষমা প্রার্থনা

  জুয়া থেকে হুইপ শামসুলের আয় ১৮০ কোটি টাকা

  প্রধানমন্ত্রীর কঠোর বার্তা: অন্যরকম ছাত্রলীগ নেতারা সতর্ক

  দলীয় প্রার্থী রিটাকে নিয়ে বিব্রত রংপুর বিএনপি

  ছাত্রলীগের সামনে ৮ চ্যালেঞ্জ: আজ থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু

  ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের ১০ ইউটিউব চ্যানেল সক্রিয়

  শোকজ চিঠি পাচ্ছেন মন্ত্রী-এমপিসহ আ’লীগের ১৫০ নেতা

  ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রার্থী আ’লীগ নেতার ছেলে!

  রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান কোন পথে

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?